নজরদারি নেই পঞ্চগড়ে নিত্যপণ্যের বাজার চড়াও, ভোগান্তিতে ক্রেতারা

Tuesday, February 18th, 2020

 

মোঃ বাবুল হোসাইন (পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি) সামনে পবিত্র রমজান মাস। সারা পৃথিবীতে যখন মুসলমান দেশগুলো দ্রব্যমূল্য কমানো প্রতিযোগীতা করে সেখানে আমাদের দেশে তার বিপরীতে, নেই নজরদারী প্রশাসনের। ইচ্ছেমতো দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে।

একদিকে ধানের দাম নেই, অন্যদিকে শ্রমজীবী মানুষের হাতে তেমন কাজ নেই। শুধু মাঠে এখন বাদাম ও ভূট্টা রোপনে ব্যস্ত কিছু সংখ্যক কৃষক। বাজারে গিয়ে পড়ছে মাথায় হাত। তেল, লবন পিঁয়াজ সবজির দামে মানুষের মনে স্বস্তি নেই। সরকারি গুদামে চাল ও ধান সরবরাহ থাকলেও পড়িয়াদের সিন্ডিকেটের কারনে কৃষকরা গুদামে ধান দিতে পারছেনা।

অবহেলিত পঞ্চগড়ে মৌসুম না হওয়ায় এখন চা পাতা তোলা বন্ধ রয়েছে। মৌসুমের সময় দামও পায়নি চা চাষীরা। সব মিলিয়ে চলছে অর্থনীতিতে অচলাবস্থা বিরাজমান। পাথর উত্তোলন বন্ধ। পাথরে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লেনদেন হতো। এত মোটর বাইক, মোবাইল ফোন, প্রসাধনী সহ বাজারে সব দোকানপাটে হুহু করে জিনিপত্র বিক্রি হতো। এখন সে অবস্থা নেই। শ্রমজীবীদের মুখে হাসি নেই। তেলপাম্প, চিকিৎসা কেন্দ্র, বিপনীবিতানগুলি ফাঁকা। ব্যাংক বীমাগুলিতে নেই আগের মতো লেনদেন। ফার্নিচার হোটেল আবাসিক রেস্তোরাগুলোতে নেই লোক সমাগম ও বিক্রি। ট্রাক্টর-ট্রাক কমে গেছে। শত শত ট্রাক-ট্রলি প্রতিদিন রাস্তায় চলতো। সেই অবস্থা এখন নেই। হাত গুটিয়ে বসে থাকেন পাথর লোড করা শ্রমিকরা। পঞ্চগড় জেলার রাস্তা-ঘাটে এখন আগের মতো যানচলাচল নেই। কমে গেছে সব ধরনের যানবাহন। এর মধ্যে বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

৬০ টাকা কেজির মসুর ডাল এখন ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত সোয়াবিন তেল প্রতি কেজি ১০০ /১০৫ টাকার জায়গায় এখন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা। স্থির আছে ডিমের দাম । প্রতি হালি ডিম ৩০ টাকা। ১১০ টাকার বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। পিঁয়াজ দেশী ১১০ থেকে ১২০ টাকা। মিয়ানামারের পিঁয়াজ ১০০ টাকা। লাউয়ের দাম চড়া। প্রকার ভেদে ২০ টাকার লাউ এখন ৩০/৩৫ টাকা। দেশী মাছের সরবরাহ কম । আমদানি করা মাছের দাম ও বেড়েছে। রুই ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা। গুড়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা প্রতি কেজি। গরু ও খাসির মাংস আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।