বিশ্বজয়ী হাসান মুরাদকে সংবর্ধনা দিচ্ছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসন   

Thursday, February 13th, 2020

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারের সন্তান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট বিজয়ী দলের বীর ক্রিকেটার কক্সবাজারের হাসান মুরাদকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সংবর্ধনা দিচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার ১৩ ফেব্রুয়ারী রাতে।কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কৃতি ক্রিকেট খেলোয়াড় হাসান মুরাদকে কক্সবাজার জেলাবাসীর পক্ষে এ সমবর্ধনা দেওয়া হবে। বিশ্বজয়ী হাসান মুরাদ আজ বৃহস্পতিবার ১৩ ফেব্রুয়ারী বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নভো এয়ারলাইনস যোগে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছানো কথা রয়েছে। বিষয়টি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সিবিএন-কে নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজারের এই গর্বের ধন হাসান মুরাদ কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাকে সেখানেও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হবে। সেখান থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাকে নিয়ে আসা হবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমবর্ধনা জানানোর পর হাসান মুরাদকে নিয়ে যাওয়া হবে শহরের লিংকরোডে। সেখানে কাটা হবে বিজয়ের কেক। লিংকরোড স্টেশনে আজ বৃহস্পতিবার রাতে গণ সংবর্ধনার আয়োজন করেছে হাসান মুরাদের নিজ এলাকবাসী। সমবর্ধনার আয়োজকেরা সিবিএন-কে এ তথ্য জানিয়েছেন। এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে কক্সবাজারের কৃতি সন্তান হাসান মুরাদ কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমফিাইনালে একাদশে খেলেছেন অসাধারণ সফলতার সাথে। ওই দুই ম্যাচে তিনি উইকেট লাভ করেন ৩টি। দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো আমাদের হাসান মুরাদের। হাসান মুরাদ কক্সবাজার ক্রিকেট একাডেমীর সাবেক খেলোয়াড়।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী জাতীয় যুব ক্রিকেট দল ঢাকায় এসে পৌঁছে ১২ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৫টার দিকে আকবর আলী, তৌহিদ হৃদয়, হাসান মুরাদদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নাজমুল হাসান, বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন সহ ক্রীড়া জগতের রতি মহারতিরা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় গত ১৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেট। ১৮ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়ে বিশ্বকাপে প্রথম অভিযান শুরু করবে অধিনায়ক আকবর আলীর দল। বিশ্বকাপের ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিলো পাকিস্তান, স্কটল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে কোয়ার্টার, সেমি ও ফাইনালে বিশ্ব বিজয়।