সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিতে কাজ করতে আনসারের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

Thursday, February 13th, 2020

গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ৪০তম জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডিগাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ৪০তম জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

 

ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনসার বাহিনীকে দেশের সর্ববৃহৎ বাহিনী অভিহিত করে তাদের সততা, আন্তরিকতা ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জনগণের সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে আনসার ও ভিডিপির ৪০তম জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা (আনসার বাহিনী) দেশের সর্ববৃহৎ বাহিনী হিসেবে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, আন্তরিকতা ও সাহসিকতার সঙ্গে পালন করে জননিরাপত্তার ক্ষেত্রে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করতে সমর্থ হবেন।’

প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে আনসার বাহিনীর সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান।

দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত স্থিতিশীল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং এই পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে আনসার সদস্যরাও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সবাই একযোগে কাজ করলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা অচিরেই বাস্তবে রূপান্তরিত করতে পারব, এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।’

প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থলে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীকে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ থেকে অভিবাদন জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী একটি সুসজ্জিত খোলা জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।

দৃষ্টান্তমূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এ বছর ৮টি ক্যাটাগরিতে ১৪৩ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যের মধ্যে ‘সেবা’ ও ‘সাহসিকতা’ পদক প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে মরহুম আনসার সদস্য গোলাম মোস্তফার সহধর্মিণীর হাতে তাঁর (গোলাম মোস্তফা) মরণোত্তর পদক তুলে দেন।

পরে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবন ও কর্ম তুলে ধরা নাটিকা, গীতিনাট্য ও গম্ভীরা পরিবেশিত হয়। আনসার সদস্যদের দরবারেও যোগ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আনসার একাডেমি প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং কেক কাটেন।