শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে রবি-সোমবারও

Sunday, January 26th, 2020

কয়েক দিন ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন রংপুর–দিনাজপুর মহাসড়ক। হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। গতকাল সকাল নয়টায় পাগলাপীর এলাকায়।  ছবি: মঈনুল ইসলামকয়েক দিন ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন রংপুর–দিনাজপুর মহাসড়ক। হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। গতকাল সকাল নয়টায় পাগলাপীর এলাকায়। ছবি: মঈনুল ইসলাম

 

ডেস্ক নিউজঃ তিন দিন ধরে টানা তাপমাত্রার পারদ কমছে। কুয়াশার সঙ্গে বাড়ছে শীতের তীব্রতাও। দিনে প্রায় পুরোটা সময় রোদ থাকলেও বিকেল গড়াতেই শীতের অনুভূতি বাড়ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, চলতি মাসে তৃতীয়বারের মতো শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তা আজও অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগসহ টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, শ্রীমঙ্গল ও রাঙামাটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহটি প্রবেশ করছে। ফলে সেখানে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। আজ রোববারও শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। আগামীকাল সোমবারও শৈত্যপ্রবাহ চলতে পারে। তবে মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ বলেন, এবারের শীতের মৌসুমে সম্ভবত এটাই শেষ শৈত্যপ্রবাহ। ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। বিচ্ছিন্নভাবে দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা অনেক কমে যেতে পারে। তবে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শীতের তীব্রতা কমে আসতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের চলতি সপ্তাহের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী তিন দিনের মধ্যে দেশের ভেতরে বড় একটি মেঘমালা প্রবেশ করতে পারে। এতে তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। দু-তিন দিন বিচ্ছিন্নভাবে ওই বৃষ্টি চলতে পারে। তারপর ধীরে ধীরে শীত বিদায় নিতে পারে।

অন্য বছরের তুলনায় চলমান শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা ও বিস্তৃতি অনেক বেশি। দুই দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে। গত শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কুড়িগ্রামে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শনিবার তা আরও কমে দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। গতকাল রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজও একই ধরনের তাপমাত্রা থাকতে পারে।