বাজারও আরাম করে করতে পারেন না এমবাপ্পে

Saturday, January 25th, 2020

প্রায় প্রতিদিনই এভাবেই ভক্তদের অটোগ্রাফের বায়না মেটাতে হয় কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। ফাইল ছবি, এএফপিপ্রায় প্রতিদিনই এভাবেই ভক্তদের অটোগ্রাফের বায়না মেটাতে হয় কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। ফাইল ছবি, এএফপি

 

ডেস্ক নিউজঃ তারকাখ্যাতি মধুর এক সমস্যাই নিয়ে এসেছে কিলিয়ান এমবাপ্পের জীবনে। যেখানেই যান তাঁকে ঘিরে তৈরি হয় ভক্তদের জটলা। এসব অবশ্য উপভোগও করেন পিএসজির ফরাসি স্ট্রাইকার।

ভবিষ্যতের তারকা—এই তকমাটা কিলিয়ান এমবাপ্পের পিঠে খুব বেশি দিন থাকেনি। কৈশোর পেরোনোর আগেই পুরোদস্তুর তারকা বনে গেছেন ফ্রান্সের স্ট্রাইকার। ২০১৪-২০১৫ থেকে ২০১৭-১৮, এই চারটি মৌসুম ফ্রান্সের ক্লাব মোনাকোতে কাটিয়েছেন এমবাপ্পে। ওই সময়টাতেই তাঁর পিঠে ছিল উঠতি তারকার তকমা।

২০১৮ সালে পিএসজিতে নাম লেখানোর পর থেকেই ধীরে ধীরে তাঁর উঠতি তারকার তকমাটা খসে যেতে থাকে। ২০১৮ বিশ্বকাপের পর সেটা পুরোপুরি খসে গিয়ে এমবাপ্পের পিঠে লেগে যায় মহাতারকা তকমা। আর সেটা এখন এমনই যে আরাম করে একটু বাজারও করতে পারেন না এমবাপ্পে! যেখানেই যান তাঁকে ঘিরে ধরে ভক্তরা।

ফ্রান্সকে ২০১৮ বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এমবাপ্পের বয়স এখন ২১ বছর। রয়েছেন ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে। চলতি মৌসুমে পিএসজির হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ২৩ ম্যাচ খেলে করেছেন ২১ গোল। পিএসজিতে কখনো কখনো তাঁর আলোয় ম্লান হয়ে যান নেইমার ও এডিনসন কাভানির মতো তারকারাও। এই তারকাদ্যুতি মাঝে মাঝে এমবাপ্পেকে মধুর সমস্যায়ও ফেলে দেয়, ‘বাড়িতে বসে থাকতে থাকতে কখনো কখনো আপনার একঘেয়ে লাগতেই পারে। সেটা কাটাতে তো আপনি একটু বাইরে বেরোবেন। হয়তো আইসক্রিমের দোকানে গিয়ে একটি আইসক্রিম কিনে খাবেন। কিন্তু এটা করতে গেলেই ঝামেলায় পড়ে যাই আমি। আইসক্রিমের খোসাটা খোলার আগেই অন্তত ৫০০ লোক আমাকে ঘিরে ধরে!’

কখনো কখনো নিজের পছন্দের কোনো জিনিস কিনতে বাজারে গেলে বেচারা দোকানিরাও সমস্যায় পড়ে যান। কীভাবে তা শোনা যাক এমবাপ্পের কাছেই, ‘আমি বাইরে গেলেই লোকজনের ভিড় জমে যায়। এমনকি আমি এখন সুপারশপেও যেতে পারি না। আমি যদি আমার পছন্দের পনির কিনতেও যেতে পারি না। আমি সুপারশপে সেটা কিনতে গেলে ওদের দোকান বন্ধ করে দিতে হয়, যাতে আমি ভিড় এড়িয়ে জিনিসটা কিনতে পারি। আমি আর আগের মতো সাধারণ একজন নেই।’

এই তারকাখ্যাতি খুব উপভোগও করেন এমবাপ্পে, ‘আমি আসলে এমন জীবনই চেয়েছি। আর এটা আমি মেনেও নিয়েছি। প্রতিদিন অবশ্য এটা সহ্য করা সহজ নয়। কিন্তু আমি এমনটাই চেয়েছিলাম।’