সাভারে শ্রেষ্ঠ জয়িতা রোকেয়া হককে সংবর্ধনা প্রদান

Thursday, January 16th, 2020
মোঃ আলী হোসেন, সাভার প্রতিনিধিঃ আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষ্যে শ্রেষ্ঠ জয়িতা পূরস্কার পাওয়ায় সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস রোকেয়া হককে সংবর্ধনা প্রদান করা  হয়েছে। অধর চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখার আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌরসভার প্যানেল মেয়র শিক্ষানুরাগী নজরুল ইসলাম মানিক মোল্লা।
অধরচন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত এ সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন পিটার গমেজ। অনুষ্ঠানে জয়িতা পুরস্কার বিজয়ী মিসেস রোকেয়া হকের কর্মময় জীবনী তুলে ধরেন শিক্ষিকা নাসিমা আক্তার। অতিথি হিসেবে অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাভিশন টিভি ও ইউএনবির রিপোর্টার নজমুল হুদা শাহীন ,অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রশিদুল ইসলাম,মাসুদা হাসনাত,মাসুদা বেগম,আনোয়ারা খানম,তাহমিনা হক, এনজিও কর্মকর্তা সুবাস চন্দ্র,বাবুল মোড়ল প্রমুখ।
প্রধান অতিথি পৌরসভার প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম মানিক মোল্লা বলেন মিসেস রোকেয়া হকের রয়েছে বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন। তিনি একাধারে বীর মুক্তিযোদ্ধা,নারী নেত্রী,মাদক বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী,একজন শিক্ষিকাসহ বহু গুনে গুনান্বিত। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি নিজেকে শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত করে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। তার অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ প্রতিষ্ঠিত। তাই রোকেয়া হক জয়িতা পূরস্কারে ভ’ষিত হয়েছেন।
 তিনি বলেন ভাল মানুষকে সম্মান করতে হয়। তাহলে দেশও জাতি সম্মানিত হয়। রোকেয়া হক কোন দিন টাকা পয়সার লোভ করেননি। মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ঘুরে ছাত্র-ছাত্রী সংগ্রহ করেছেন। তার যত দিন চলতশক্তি আছে তিনি এ স্কুলের দায়িত্ব পালন করবেন এ প্রত্যাশা করছি।
সংবর্ধনার জবাবে মিসেস রোকেয়া হক বলেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে লেখা পড়া করে ছোট একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করবো তা কোন দিন ভাবিনি। ততকালীন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক আবদুস সাত্তার স্যারের প্রস্তাবে ক্লাশ নেই এবং এখানেই থেকে যাই। ছেলে মেয়ে দুইজন ইংল্যান্ড ও আমেরিকায় থাকে। আমি আপন মনে সামাজিক কাজ কর্মে ব্যস্ত থাকি।অনেকের বিপদ আপদে এগিয়ে যাই। প্রতিকুলতা থাকা সত্বেও পাশে দাড়াবার চেষ্টা করি। তাই হয়তো আমাকে জয়িতা পূরস্কার দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন যারা এ সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন তাদের নিকট আমি কৃতজ্ঞ ও ঋনী ।
 পরে বিদ্যালয়ের ক্ষুদে ছাত্র ছাত্রীদের অংশ গ্রহনে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞা সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠান। এ পর্বের অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীগন নৃত্য,কবিতা,ছড়া ও সংগীত পরিবেশন করে।