বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় অভিভাবকহীন আওয়ামী লীগ।

Friday, November 22nd, 2019
সাব্বির আহমেদ : সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।
কমিটির বিলুপ্ত করা হয়েছে। কমিটি বিলুপ্ত হওয়ায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ। কবে নাগাদ নতুন কমিটি গঠন হবে সেটিও
পরিষ্কার নয়। সংগঠনকে গতিশীল করতে অবিলম্বে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করার
আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ মানিক বলেন, উপজেলা
আওয়ামী লীগ এখন অভিভাবক শূন্য। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে অবিলম্বে নতুন
কমিটি ঘোষনা দেওয়া হোক। ক্লিন ইমেজের সাংগঠনিক নেতাকে উপজেলা আওয়ামী লীগ
কমিটির নেতৃত্বে দেখতে চাই। আর কোনো অনুপ্রবেশকারী, চাঁদাবাজ,
সন্ত্রাসীকে আওয়ামী লীগে নেতৃত্বে দেখতে চাই না।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দিলীপ কুমার বর্মন বলেন, উপজেলা
কমিটি বিলুপ্ত করায় এখন নেতৃত্ব শূন্য। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে অবিলম্বে
নিয়মিত আওয়ামী লীগের ত্যাগী কর্মীদের নিয়ে নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়া হোক।
কমিটি গঠনে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত নেতাদের স্থান দিতে হবে।
নিবেদিত ও যোগ্য নেতৃবৃন্দকে মূল্যায়ন করলে সংগঠন এগিয়ে যাবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তৈয়বুর রহমান বলেন,
সম্মেলন সফল হয়েছে কিন্তু কমিটি ঘোষনা হয়নি। আমি আশাবাদী এই নতুন উপজেলা
আওয়ামী লীগের কমিটিতে যারা ত্যাগী , ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ করে
আওয়ামী লীগের দুর্দিনের সময় দলের পাশে ছিল তাদের স্থান দিতে হবে এবং
অনুপ্রবেশকারীদের দল থেকে বের করে দিতে হবে।
জানা যায়, ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর বিশ্বম্ভরপুর আওয়ামী লীগের সম্মেলন
অনুষ্ঠিত হয়। সেই সময় সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে সেই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা
আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। পরে উপজেলা
মিলনায়তনে কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলা নেতৃবৃন্দ। বৈঠকে
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের বিষয়ে কাউন্সিলরগণ ঐক্যমতে
 পৌছাতে না পারায়, জেলা নেতৃবৃন্দ উপজেলা কমিটি ঘোষনার বিষয়টি পরবর্তীতে
জেলায় গিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলে চলে যায়।
আওয়ামী  লীগের তৃণমূল নেতারা জানান, সম্মেলন সফল হয়েছে কিন্তু কমিটি
ঘোষনা না হওয়ার কারণে বর্তমান আমাদের উপজেলা আওয়ামী লীগের অভিভাবক নেই
বলেই চলে। তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চাদাবাজ, অনুপ্রবেশকারী ও
মাদকাশক্ত ব্যাক্তিদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের ত্যাগী, দুর্দিনের
কান্ডারী, এবং ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ করে এখন পর্যন্ত দলে জুরালো
ভাবে আছে এমন কর্মীদের নতুন কমিটিতে স্থান দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি কমিটি ঘোষনা
দেয়া হোক।