ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে ভিজিডি কর্মসূচী উপকার ভোগী দুস্থ অসহায় মহিলার কার্ডে অনিয়ম দূর্নীতি’র অভিযোগ

Thursday, September 12th, 2019
মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি ॥ ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় ভিজিডি কর্মসূচী উপকার ভোগী দুস্থ অসহায় মহিলার কার্ডে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ হয়েছে। স্থানীয় জনস্বার্থে পীরগঞ্জ উপজেলার এক গণমাধ্যম কর্মী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্থানীয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সহ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক বরাবরে গত ৮ই সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ করেছেন। বর্তমান সরকার উন্নয়ন অগ্রগতি ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূখী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ইউনিয়নস্থের অধিনে গ্রাম অঞ্চলের অসহায় দুস্থ ও নি¤œ শ্রেণি পরিবারে মাঝে ফ্রি ভিজিডি কর্মসূচী উপকার ভোগী কার্যক্রমের ব্যবস্থা করেছে। ভিজিডি তালিকা ও কার্ড প্রণয়নে ৬নং পীরগঞ্জ ইউনিয়নস্থে অনিয়ম স্বেচ্ছাচারীতা ও ব্যাপক দূর্নীতি করা হয়েছে। তালিকা ২০১৮ইং সালের ডিসেম্বরে চুড়ান্ত ছক ২০১৯-২০ইং প্রণয়নের মাধ্যমে ২ বছর মেয়াদী কার্ড যা প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়ার নিমিত্তে, পীরগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খন্দকার শাকিনা বিনতে শরীফ, ৬নং পীরগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম সহ অন্যান্য সদস্যদের সমন্বয়ে ভুয়া সদস্য, ভুয়া ঠিকানা ও স্বচ্ছল বিত্তবানদের মাঝে এসব প্রণয়নে অনিয়ম স্বেচ্ছাচারীতা সহ দূর্নীতির মাধ্যমে করা হয়েছে বলে সরেজমিনের ইহার তথ্য উপাত্ত উঠে আসে। ২২৬ জন ভিজিডি সুফল ভোগী কার্ড ধারীদের মধ্যে ৮০ জনের কর্মমূখী পরিবার ও ৩৪ জন স্বচ্ছল-স্বাবলম্বী পরিবার। স্বচ্ছল কৃষক, জমির মালিক, আম ব্যবসায়ী, বিল্ডিং বাড়ির মালিক- যার বিল্ডিং ঘরে মোটর পাম্প- পানির ট্যাংক রয়েছে। একই পরিবারের মাঝে ভিজিডি কার্ডের ৩০ কেজি চাল, ১০ টাকা কার্ডের চাল, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, বিবাহ হয়নি এমন কন্যার নামে ভিজিডি কার্ড, কন্যার বিবাহ হয়েছে শ্বশুর বাড়িতে সংসার তার নামেও ভিজিডি কার্ড, কেউ বিদেশে এমনকি ইউ’পি সদস্যার পরিবারের নামে, গ্রাম পুলিশের নামে ভিজিডি কার্ড রয়েছে। প্রকাশ ৭নং ওয়ার্ড বিরহলী গ্রামের ভিজিডি ১৫৭ নং কার্ড পারুল আক্তারের, স্বামী হুমায়ুন কবির- তার বাড়ির গেটে হুমায়ুন ভিলা, উন্নত মানের বিল্ডিং বাড়িতে মোটর পাম্প- পানির ট্যাংক রয়েছে। তার স্বামীর আবাদী জমি ১৪ বিঘা, বর্গা জমি ৫ বিঘা, ৫টি লিজ কৃত বড় আম বাগান ও পীরগঞ্জের বড় আম ব্যবসায়ী। ঐ ওয়ার্ডে ভিজিডি ১৬৩ নং কার্ড ফাহিমা আক্তার, স্বামী সাহিনুর রহমান- তার বিল্ডিং বাড়ি, মোটর পাম্প- পানির ট্যাংক রয়েছে, জমি ১ বিঘা। এছাড়া জমির মালিক, ব্যবসায়ী চাকুরীজিবী পরিবারে ভিজিডি কার্ড দেওয়ায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভিজিডি কার্ডে অনিয়ম স্বেচ্ছাচারীতায় পৃথক ভাবে ৩ জন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ করে, অদ্যাবধি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।