তারা কোরবানির পশুর মাথায় মেহেদি মাখায়, আনন্দ করে আগের বছরের শিং পরে

Wednesday, August 7th, 2019
তারা কোরবানির পশুর মাথায় মেহেদি মাখায়, আগের বছরের শিং পরে আনন্দ করে

ডেস্ক নিউজঃ একেক দেশে একেক ধরনের পশুর প্রাধান্য থাকে। পশু সংগ্রহের পদ্ধতিতেও রয়েছে ভিন্নতা। তাই কোরবানির ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশের নিজস্ব কিছু স্বকীয়তা আছে। সাধারণত বিশ্বজুড়েই ঈদের নামাজের পরপরই সামর্থ্যবানরা তাদের কোরবানির পশু খোলা মাঠ, রাস্তা কিংবা নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে সৃষ্টিকর্তার নামে কোরবানি করে। এখানে মরক্কোর কোরবানির ঈদ আনন্দের বৈচিত্র্য সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

ঈদের নামাজ শেষে মারাকিশিরা ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে ঝটিকা সফর করে। এরপর খুব দ্রুত পশু কোরবানি করে। তারা আনন্দ-উচ্ছ্বাসের অংশ হিসেবে কোরবানির পশুর মাথায় মেহেদি মাখায়। বিভিন্নজন আবার মাথায় আগের বছরের কোরবানির পশুগুলোর শিং মাথায় পরে আনন্দ করে। এরপর পশমাবৃত আলখাল্লা ধরনের পোশাক পরে কোরবানিদাতাদের কাছে গিয়ে ধন্যবাদ জানায় শুভেচ্ছা বিনিময় করে। ঈদুল আজহার তিন দিন তাদের কাছে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। প্রথম দিন তারা পরিবারের সবাই মিলে চুলার কাছে একত্র হয়। এরপর গোশত ভুনা করে সম্মিলিত খাবারে অংশ নেয়।

দ্বিতীয় দিন কোরবানির জন্তুগুলোর মাথা (প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার পর) সিদ্ধ করে রান্না ও ভাজা করা হয়। আবার এদিন একে অপরের বাসায় বেড়াতেও যায়। আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তৃতীয় দিন তারা গোশতের রকমারি খাবার তৈরি করে। নিজস্ব পদ্ধতিতে তারা কোরবানির গোশত দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে। রেফ্রিজারেটর আবিষ্কারের আগে থেকেই তারা বিভিন্ন প্রাচীন পদ্ধতিতে গোশত সংরক্ষণ করে। অনেক দিন পরও তারা অতিথি ও আগন্তুকদের কোরবানির গোশত দিয়ে আপ্যায়ন করে। কোরবানির পশুর গোশতকে তারা খাবারের বরকত হিসেবে বিবেচনা করে।

কাসেম শরীফের বিশেষ প্রতিবেদন থেকে