কলমা আওয়ামী লীগের বর্ধিতসভা

Friday, July 12th, 2019


আলিফ হোসেন, তানোর প্রতিনিধি:
রাজশাহীর তানোরে কলমা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)
চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন ঘিরে কলমা ইউপির নয় নম্বর
ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী
সংগঠনের নির্বাচনোত্তর বিশেষ বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত
হয়েছে। চলতি বছরের ১১ জুলাই বৃহ¯প্রবিার বিকেলে কলমা
ইউপির নয় নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নজর উদ্দীনের
সভাপতিত্বে ও ইউপি সৈনিক লীগের সাধারণ সম্পাদক তানভির
রেজার সঞ্চালনে আজিজপুর দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত
ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নির্বাচোত্তর
বিশেষ বর্ধিতসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) সাদেকুন নবী
বাবু চৌধূরী এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্থানীয়
সাংসদের প্রতিনিধি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ও স্বাগত বক্তব্য
রাখেন কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান
প্রার্থী মাইনুল ইসলাম স্বপন। অন্যান্যদের মধ্যে আরো
উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোনিয়া সরদার,
কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান,
উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম,
গোদাগাড়ী উপজেলা যুবলীগের (সাবেক) সভাপতি শফিকুল
সরকার, ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার
হোসেন, প্রভাষক মুন্সেফ আলী, মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ
ও সাইদুর রহমান প্রমূখ। এছাড়াও ইউপি আওয়ামী লীগ ও
সহযোগী সংগঠনের সকল ইউনিটের সভাপতি-সাধারণ
সম্পাদক. সাংগঠানিক সম্পাদকসহ স্থানীয় নেতাকর্মীগণ
উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী নৌকার
বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ
করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। উপজেলা চেয়ারম্যান ময়নার

রাজনৈতিক দূরদর্শীতা এবং সাংগঠনিক তৎপরতায় কলমা
ইউপির উপ-নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে
ইতমধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী একচ্ছত্রঅধিপত্য বিস্তার
করে বিজয়ী হবার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। উন্নয়নের
সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে
নৌকার বিজয় ব্যতিত কোনো বিকল্প নাই তাই নৌকার বিজয়
ঘটাতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা
দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার
করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজশাহী-১
আসনের সাংসদ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি,
সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, রাজশাহী চেম্বার এ্যান্ড
কমার্সের (সাবেক) সভাপতি এবং সিআইপি সাধারণ
মানুষের আস্থার প্রতিক ও গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব ওমর
ফারুক চৌধূরীর জন্ম স্থান কলমা ইউপির চৌরখৈর
গ্রামে। ফলে যে মানুষটি নিজে এতোভাবে সম্মানিত
হয়েছেন এবং তানোর-গোদাগাড়ী ও বিশেষ করে কলমার
মানুষকে সম্মানিত করেছেন তার সম্মান রক্ষা করা কলমার
মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। কারণ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা-
সমালোচনা থাকতেই পারে কিšত্ত আওয়ামী লীগে এমপি
ফারুক চৌধূরীর অবদান অস্বীকার করার কোনো সুযোগ
নাই। তানোরের রাজনীতিতে এমপি ফারুক চৌধূরী
জীবন্ত কিংবদন্তী তিনি নিজে যেই স্থানে গিয়ে
সম্মানিত হয়েছেন এবং তানোরের মানুষকে সম্মানিত
করেছেন সেটা তানোরের মানুষের গৌরব। তার পরে
তানোরের আর কোনো মানুষ রাজনীতিতে এতোদুর যেতে
পারবেন কি না সেটা নিয়ে শংসয় রয়েছে। এসব
বিবেচনায় কলমা ইউপির উপ-নির্বাচনে ভোটারগণ ব্যক্তি
নয় এমপির মনোনিত প্রার্থীর বিজয় দেখতে চাই এই
জন্য ইউপিবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে
একতœা ঘোষণা করেছেন এই বিজয় তাদের নিজেদেরও
সম্মান বলে তারা মনে করেন।

এছাড়াও কলমা ইউপির দুই বারের নির্বাচিত সফল
চেয়ারম্যান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা
চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার বাড়ি চৌরখৈর
গ্রামে। অন্যদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও
উপজেলা চেয়ারম্যান (প্রয়াত) শাফিউল ইসলামের বাড়িও
চৌরখৈর গ্রামে এবং তার ভাই মাইনুল ইসলাম স্বপন।
এসব বিবেচনায় উপ-নির্বাচনে মাইনুল ইসলাম স্বপন
নিরঙ্কুশ বিজয়ের দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে, আর তার
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলোচনাতেই নাই। সচেতন মহলের
ভাষ্য, দেশের সরকার আওয়ামী লীগ, স্থানীয় সাংসদ (এমপি)
এবং উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের তাই আওয়ামী
লীগ বিরোধী কোনো প্রার্থীকে বিজয়ী করা হলে চলমান
উন্নয়ন মূখ থুবড়ে পড়বে এলাকার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত
থেকে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে অবশ্যই
আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
অপরদিকে স্থানীয়রা জানান, রেজাউল ইসলাম আওয়ামী
লীগের কোনো নেতা নয়, তার বিরুদ্ধে সরকারী খাস
সম্পত্তি ও পুকুর দখল, মেলা ও সালিস বাণিজ্যর মতো
অভিযোগের প্রচার রয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় সাংসদ,
উপজেলা চেয়ারম্যান, সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী
এমনকি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার তেমন
কোনো সম্পর্ক নাই তার বাড়িও ইউপির একেবারে
শেষপ্রান্তে। তাহলে কোনো মানুষ সরকার দলীয়
প্রার্থীকে উপেক্ষা করে রেজাউলকে ভোট দিয়ে বিজয়ী
করবে, তাকে বিজয়ী করা হলে তিনি কলমা ইউনিয়নের
মানুষের কি কাজে আসবেন এসব বিবেচনায়
নির্বাচনের শুরুতেই তিনি অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে
নির্বাচনে তার নিশ্চিত পরাজয় বলে সাধারণ মানুষ মনে
করছেন। আবার স্বপনের থেকে রেজাউলের কি
গ্রহণযোগ্যতা ও ভাল গুন রয়েছে, বা রেজাউল কি যোগ্যতা
দিয়ে স্বপনের থেকে ভাল তার ব্যাক্ষাও তো সাধারণ মানুষের
কাছে দিতে হবে। এসব বিশ্লেষণে স্বপনের বিপরীতে
রেজাউল কোনো প্রতিদন্দিই নয় তায় এবার কলমা উপ-

নির্বাচনে স্বপনের বিজয় প্রায় নিশ্চিত এনিয়ে কারো
কোনো সন্দেহের অবকাশ নাই।