কক্সবাজারে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিত্তহীন সংবাদের প্রতিবাদ

Thursday, July 11th, 2019

কক্সবাজার শহরের বার্মিজ মার্কেট  এলাকা থেকে চুরি যাওয়া মোটর সাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় শহর ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, গত ৪ জুন কক্সবাজার শহরের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে রামু সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ রিয়াদের মোটরসাইকেল ছিনতাই করে শীর্ষ মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী বিজিবি ক্যাম্প এলাকার মৃত আবুল কালাম সিকদারের ছেলে সোলাইমান সিকদার ওরফে সালমান খান এবং কালুর দোকান এলাকার ইফতি। মোটরসাইকেল চোর চিহ্নিত হওয়ার পর বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার পরও মোটরসাইকেলটি ফেরত দেয়নি ছিনতাইকারীরা। পরে গত ১ জুলাই শহরের বৌদ্ধমন্দির সড়কের আমেনা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে মোটরসাইকেলটি পার্কিং করা অবস্থায় দেখলে মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিক ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মোটরসাইকেল উদ্ধারে সহযোগিতা করে শহরের ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি রায়হান ছিদ্দিকী। ওই সময় ছিনতাইকারীরা আশপাশে অবস্থান করলেও মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিককে দেখতে পেয়ে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র শহর ছাত্রলীগ নেতা রায়হান ছিদ্দিকীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে। গত ৭ জুলাই ‘সিটিজিবিডিনিউজ ডটকম’ নামে একটি নাম সর্বস্ব অনলাইন নিউজপোর্টালে রায়হান ছিদ্দিকীকে মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী দাবী করে ভূয়া সংবাদ প্রচার করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, আমেনা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মোটরসাইকেলটি ছিনতাই করা হয়। অথচ এটি ছিল চুরি হয়ে যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনা। একই সাথে তার বিরুদ্ধে আরও নানা আপত্তিকর অভিযোগ তোলা হয়। যার কোন ভিত্তি নেই। চরম বানোয়াট এবং মিথ্যাচার।
এবিষয়ে মোটরসাইকেলের মালিক রামু সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মো. রিয়াদ বলেন, চুরি হয়ে যাওয়ার অনেকদিন পর আমেনা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে মোটরসাইকেলটি দেখলে আমি সেটি উদ্ধার করি। আমার মোটরসাইকেল উদ্ধারে সহযোগিতা করে ছাত্রলীগ নেতা রায়হান ছিদ্দিকী। এটা কোন ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়, এটি ছিল চুরি হয়ে যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনা। কিন্তু কথিত সাংবাদিক মোটরসাইকেল ছিনতাইকারীর কাছে বিক্রি হয়ে উল্টো রায়হান ভাইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। সামান্য সুবিধার জন্য মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে। আমি এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই।
এবিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা রায়হান ছিদ্দিকী বলেন, একটি চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে সহযোগিতা করতে গেলে যদি মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী বানানো হয়, তাহলে এটা কোন ধরণের সাংবাদিকতা। আমি যদি সত্যিই কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকি তাহলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তদন্ত কের বের করুক। অহেতুক একজন মানুষকে অপরাধী সাজানো কতটা নীতি নৈতিকতার মধ্যে পড়ে। এই অপপ্রচারে আমার চরম সম্মানহানি হয়েছে। তাই আমি জীবনের নিরাপত্তার জন্য আইনের আশ্রয় নেব।