কলমা উপ-নির্বাচন এগিয়ে স্বপন, পিছিয়ে রেজাউল

Monday, July 1st, 2019

আলিফ হোসেন (তানোর প্রতিনিধি) রাজশাহীর তানোরের সর্ববৃহৎ এক নম্বর কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হবার দৌড়ে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ও ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন অনেক এগিয়ে রয়েছে, আর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল ইসলাম অনেক পিছিয়ে পড়েছে এক কথায় স্বপনের কোনো প্রতিদন্দিই নয় রেজাউল তবে অন্যকোন প্রার্থী না থাকায় রেজাউলকে নিয়ে মৃদু আলোচনা রয়েছে।

সব জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনার অবসান ঘটিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন দেয়া হয়েছে ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা বিআরডিবির সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপনকে ফলে তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত। অন্যদের থেকে এখানে আওয়ামী লীগ বিশেষ করে এমপি ফারুক চৌধূরীর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী সেই বিবেচনায় স্বপন অনেকটা এগিয়ে রয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজশাহী-১ আসনের সাংসদ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, রাজশাহী চেম্বার এ্যান্ড কমার্সের (সাবেক) সভাপতি এবং সিআইপি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিক ও গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর জন্ম স্থান কলমা ইউপির চৌরখৈর গ্রামে। ফলে যে মানুষটি নিজে এতোভাবে সম্মানিত হয়েছেন এবং তানোর-গোদাগাড়ী ও বিশেষ করে কলমার মানুষকে সম্মানিত করেছেন তার সম্মান রক্ষা করা কলমার মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। কলমা ইউপির উপ-নির্বাচনে ভোটারগণ দলীয় প্রতিক নয় এমপির মনোনিত প্রার্থীর বিজয় দেখতে চাই এই জন্য ইউপিবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একত্তা ঘোষণা করেছেন এই বিজয় তাদের নিজেদেরও সম্মান বলে তারা মনে করেন।

এছাড়াও কলমা ইউপির দুই বারের নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার বাড়ি চৌরখৈর গ্রামে। অন্যদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান (প্রয়াত) শাফিউল ইসলামের বাড়িও চৌরখৈর গ্রামে এবং তার ভাই মাইনুল ইসলাম স্বপন। এসব বিবেচনায় উপ-নির্বাচনে মাইনুল ইসলাম স্বপন নিরঙ্কুশ বিজয়ের দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে, আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলোচনাতেই নাই। সচেতন মহলের ভাষ্য, দেশের সরকার আওয়ামী লীগ, স্থানীয় সাংসদ (এমপি) এবং উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের তাই আওয়ামী লীগ বিরোধী কোনো প্রার্থীকে বিজয়ী করা হলে চলমান উন্নয়ন মূখ থুবড়ে পড়বে এলাকার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে অবশ্যই আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।

অপরদিকে স্থানীয়রা জানান, রেজাউল ইসলাম আওয়ামী লীগের কোনো নেতা নয়, তার বিরুদ্ধে সরকারী খাস সম্পত্তি ও পুকুর দখল, মেলা ও সালিশ বাণিজ্যর মতো অভিযোগের প্রচার রয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী এমনকি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার তেমন কোনো সম্পর্ক নাই তার বাড়িও ইউপির একেবারে শেষপ্রান্তে। তাহলে কোনো মানুষ সরকার দলীয় প্রার্থীকে উপেক্ষা করে রেজাউলকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে, তাকে বিজয়ী করা হলে তিনি কলমা ইউনিয়নের মানুষের কি কাজে আসবেন এসব বিবেচনায় নির্বাচনের শুরুতেই তিনি অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে নির্বাচনে তার নিশ্চিত পরাজয় বলে সাধারণ মানুষ মনে করছেন। আবার স্বপনের থেকে রেজাউলের কি গ্রহণযোগ্যতা ও ভাল গুন রয়েছে, বা রেজাউল কি যোগ্যতা দিয়ে স্বপনের থেকে ভাল তার ব্যাক্ষাও তো সাধারণ মানুষের কাছে দিতে হবে। এসব বিশ্লেষণে স্বপনের বিপরীতে রেজাউল কোনো প্রতিদন্দিই নয় তায় এবার কলমা উপ-নির্বাচনে স্বপনের বিজয় প্রায় নিশ্চিত এনিয়ে কারো কোনো সন্দেহের অবকাশ নাই।