শেরপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

Monday, June 24th, 2019

 

মেহেদী হাসান হৃদয় (শেরপুর জেলা প্রতিনিধি) ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
বুলবুল আহম্মেদ, শেরপুর প্রতিনিধি: ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে শেরপুর জেলায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে পরীক্ষার্থীরা। ২৪ জুন মঙ্গলবার সকাল ১১টায় শেরপুর পৌর শহরের নিউমার্কেট মোড়ে সাধারণ পরীক্ষার্থীরা এ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে।

মোঃ ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে ও আব্দুল হাকিম’র সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন- এমদাদুল হক উজ্জল, সোহেলী আক্তার সীমা, জান্নাতুল ফেরদৌসী, পলাশ আহম্মেদ, এনামুল হক প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৩১ মে শেরপুর সদর, নকলা, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চাকরি প্রার্থীরা অংশ নেন। এতে প্রশ্নফাঁসমসহ বিভিন্ন জালিয়াতির খবর দেশবাসী জানতে পারে। এ বিষয়ে নানা তথ্য-উপাত্ত জাতীয় দৈনিক ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিক হয়েছে। এর পরপরই দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচী পালিত হয়। শেরপুরে চাকুরী প্রার্থীগণ কোন ভাবেই ফাঁস হওয়া প্রশ্নের এই পরীক্ষার বৈধতা দিবে না।

বক্তারা আরও বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোই যেখানে পরীক্ষা শুরুর পূর্বেই ফাঁস হওয়া প্রশ্ন এবং পরীক্ষার প্রশ্নের সাথে তার হুবহু মিল পেয়েছে সেখানে সেই প্রশ্নে গ্রহণ করা, পরীক্ষা বাতিল করা না হলে হাজার হাজার চাকরি প্রার্থী মেধাবী তরুণ-তরুণীর সাথে প্রতারণা করা হবে বলে আমরা মনে করি। যেহেতু প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে তাই ধারণা করা যেতে পারে আরও বহুজন এরকমভাবে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পেয়ে পরীক্ষা দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে যে, সাধারণ মেধাবী চাকরি প্রার্থীরা কীভাবে পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্ন পাওয়াদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকবেন?

বক্তারা অবিলম্বে ৩১ মে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা বাতিল করে নতুন প্রশ্নে পুণরায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং অধিকতর তদন্ত করে এই প্রশ্ন ফাঁস চক্রের মূল হোতাদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

পরে নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মেজবাউল আলম ভূঁইয়া মাধ্যমে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, বাতিলের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

অপরদিকে শেরপুর প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার মোঃ নুরুল আলম’র মাধ্যমে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।