দুর্বলতা ঢাকতে ডিআইজি মিজান ঘুষ দিয়েছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Wednesday, June 12th, 2019

দুদক কর্মকর্তাকে ডিআইজি মিজানের ঘুষ দেয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘ঘুষ দেয়া-নেওয়া দুটোই অপরাধ। ঘুষ কেনো দিয়েছে? নিশ্চয় সে কোনো অপরাধ করেছে। তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার নিশ্চয় কিছু দুর্বলতা আছে, যা ঢাকার জন্য ঘুষ দিয়েছে। এ অপরাধে যে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন সেটাই নেয়া হবে।’

বুধবার (১২ জুন) দুপুরে রাজধানীর বকসীবাজার এলাকায় কারা অধিদপ্তর মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে অধিদপ্তরের মিলনায়তনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ আয়োজিত ‘উদ্ভাবনী মেলা ও প্রদর্শনী ২০১৯’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই অপরাধ। ঘুষ কেনো দিয়েছে? নিশ্চয় সে কোনো অপরাধ করেছে। তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তার নিশ্চয় কিছু দুর্বলতা আছে, যা ঢাকার জন্য ঘুষ দিয়েছে। ঘুষ দেওয়া ও নেওয়া যেহেতু সমান অপরাধ, তাই সে অপরাধে অবশ্যই তাকে দণ্ডিত হতে হবে। এ অপরাধে যে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন সেটাই নেওয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগের অভিযোগের ভিত্তিতে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে বিচারকাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ডিপার্মেন্টাল এবং দুদকও ব্যবস্থা নিচ্ছে। ’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডিআইজি মিজান ঘুষ কেন দিয়েছে? নিশ্চয়ই তার কোনো দুর্বলতা আছে। সে দুর্বলতা ঢাকতে ঘুষ দিয়েছে। ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই অপরাধ।’ ‘ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আগের অভিযোগের ভিত্তিতে বিচার এখনো প্রক্রিয়াধীন। এর মধ্যে আবার ঘুষ কেলেঙ্কারি। যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু করেছিল দুদক। এ জন্য দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়। কিন্তু এই তদন্ত করতে গিয়ে এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ডিআইজি মিজান।

এজন্য তিনি এনামুল বাছিরের সঙ্গে কথোপকথনের অডিও রেকর্ড প্রমাণ হিসেবে হাজির করেন। অভিযোগ ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দুদক। পরে কমিশনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও তথ্য পাচারের অভিযোগে এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে দুদক।