কবি নজরুলের জন্মদিনে ভোলার নজরুলের প্রতিভা প্রকাশ

Saturday, May 25th, 2019
ভোলা জেলা প্রতিনিধি: 
কবি নজরুলের ছোট বেলায় নাম ছিলো দুঃখু মিয়া তাই আমার দুঃখের সাথে মিলে গেছে।
এমনই এক প্রতিভা ব্যক্ত করেন ভোলা জেলার মধ্যবতি লালমোহন উপজেলার লেখক নজরুল ইসলাম (শুভ রাজ)
আমার খুব প্রিয় একজন কবি ছিলেন – আমি যখন মাধ্যমিক শিক্ষা জীবন শুরু করি ঠিক তখনি এক বাংলা স্যার আমাদের ক্লাসে কবি নজরুলের জীবনি বলেন।
আর তখন থেকে শুরু করি কবি নজরুলের জীবনা-চারন ইতিহাস, মজার বিষয় হলো আমার নাম ও কবি নজরুল এর সাথে হওয়ায়,  চুল বড় করতে শুরু করি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি নজরুল কে ছোট করার জন্য বলছিল,
“তুমি নজরুল করিয়াছো ভুল
দাড়ী না রাখিয়া রাখিয়াছো চুল”
কিন্তু আমি বলতাম-
“আমি নজরুল করিনি ভুল
রাখিয়াছি দাড়ি রাখিয়াছি চুল”
শুরু হয় আমার লেখা লেখি প্রথম আমার লেখা কবিতায় ১ম স্থান অধিকার করি ২০১৯ সালে, ২০১২ সালে ঢাকাস্থ লালমোহন ছাত্র/ছাত্রী কল্যান সমিতির অয়োজনে জয়ন্তী-৪ নামে একটি বই বের হয় সেখানে দেশ বরেণ্য লেখক-লেখিকার লেখা প্রকাশ হয়, সেই বইতে আমারও একটি কবিতা স্থান পায়। কবিতাটি ছিলো “বর্ষা কালে আমার সুখ”
এবং আমি সেই কবিতা দিয়ে ভালো সারা পাই।
শুরু হয় কবিতা, গল্প, গান, ইসলামিক গান, লেখা লেখির সাথে বড় হতে থাকে চুল তখন আমার উপজেলা লালমোহনে খেতাব পাই চুল ওয়ালা ছেলেটা।
ভোলা সরকারি কলেজে একই খেতাবে ভুশিত হলেও এক গুরুপের কাছে পাই তিরিষ্কার।
বাবা না থাকায় প্রতিদিনই বিচার আসতে থাকে মায়ের কাছে, যে কষ্ট করে ছেলেকে লেখা পড়া করান কিন্তু চুল গুলো বড় রাখে কেন, আর চুল বড় হওয়ায় ভালো লাগে না তাকে।
মাকে বুঝাতে থাকি কবি নজরুলের জীবনের, রুটির দোকানের কর্মচারী, মসজিদের মুয়াজ্জিন, আর পালা গানের গল্প শুনাই, এবং জাতীয় কবি আার শুনামে ছরিয়ে গেছে বিশ্ববাসী, দুঃখ মিয়া উপাদিত নাম।
আমার সব চেয়ে বেশি ভালো লাকছে ছোট বেলায় কবি নজরুলকে দুঃখ মিয়া বলাতে।
কিন্তু আমার খুব মায়া হতো, ভাবতাম কতো কষ্ট করে সে জাতীয় কবি হলো, আমারও তো অনেক দুঃখ কষ্ট আমার বাবা না থাকায়, সবাই আমার উপর খবরদারী করে, জায়গাজমি দখল করে, যুলুম করে, তখন মসজিদের কোনায় বসে নামাজ পড়ে, আল্লাহ কাছে বিচার রাখতাম,
মা সাহস দিতো এখন বিচার আল্লাহর কাছে রাখবি, যদি পারোষ বড় হলে তোর বাবার মতো হবি এদের প্রতিশোধ নিবি, কিন্তু মা এখনো আছে, আমার প্রতিশোধ নেওয়ার আগেই আল্লাহ তাদের ধ্বংশ করে দিয়েছে।
কবি নজরুল হওয়ার কথা ছিল বিশ্বকবি, অথচ সে যুগথেকেই সমাজে একগুরুপ চোপটা লোক ছিলো, যার কারনে বিশ্ব কবি হতে পারেনি।
কিন্তু সন্তানের ভালো শুন্তে পছন্দ করেন বাবা মা, তাই মায়ের একদিন চোখে জল আর মুখে বাধার কাছে হেরে গেলো লাম্বা চুল আর লেখক হওয়ার প্রতিভা।
সমাজ আপনার সুন্দর ভালো প্রতিভাকে ধাবিয়ে রাখে তবে সাহস দেয়, কিন্তু কিছু কু-রুচিপূর্ন মানুষ সেটা নিজে ধাবানোর চেষ্টা করে,না পারলে অন্যের সাহায্য অথবা কাউকে ব্যবহার করে হলেও ধাবীয়ে দেয়।
আমি সমাজের লংকরবিদ মানুষের কাছে হেরে গেলাম।
তবে তাদের কাছেই শিখেছি, যেনে রাখলাম আমি তাদের মত নই তাই সুযোগ পেয়েও ব্যবহার করিনাই।
এর পরই বাস্তব সম্মত প্রতিভার প্রয়োজনে হেরে গেলো আকাশ ছোয়া স্বপ্ন।
আমি আবার গুরে দাড়াতে চাই,
আমি সেই কলমের মাধ্যমে সমাজকে বদলাতে চাই,
আমি অগ্নীবানীতে হারতে চাইনা।
আমাকে এখনো অনেকে মনে করে লেখার মাঝে, তাই এই প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে মনে করিয়ে দিলো আমার হারানো দিন গুলো।
যানি আর কোন দিন সে দিনে ফিরে যাওয়া যাবে না কিন্তু নতুনখাতা আবার খোলা যাবে।
আজকের এই দিনে আমার প্রিয়
জাতীয় কবি, বিশ্ব মানবতার কবি, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মবার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী।