মানব পাচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Tuesday, May 14th, 2019

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় বাংলাদেশিদের লাশ শনাক্ত করা হলে দেশে আনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে (কেআইবি) এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এদিকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় বাংলাদেশের তিন জেলার চারজন যুবক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে শরীয়তপুরের আরও দুই যুবক ও মৌলভীবাজারের বড়লেখার এক যুবক এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জের এক যুবক রয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে নোয়াখালীর চাটখিলের এক যুবক, সুনামগঞ্জ জেলার দু’জন এবং মাদারীপুরের শিবচরে একজন রয়েছেন।

সেমিনার শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন আরও বলেন, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা তিউনিসিয়া গেছেন। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় তথ্যে অনেক গ্যাপ আছে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সূত্র থেকে ৩৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর শোনা যাচ্ছে। পাঁচজনের লাশ পাওয়ার খবরও শোনা গেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশিদের লাশ পাওয়া গেলে দেশে আনা হবে। আর যারা জীবিত উদ্ধার হয়েছেন তাদের নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাঁচজনের লাশ পরখ করার পর নিশ্চিত হয়েই তা আনা হবে।

অনেকে অবৈধভাবে বিদেশ যাচ্ছে এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন রকম প্ররোচনা করে লোকজনকে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে। যেসব ট্রাভেল এজেন্সি মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। গত বছর এমন একটি তালিকাও আমরা করেছি।

স্বাস্থ্য অধিদফতর আয়োজিত সেমিনারে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জন্ম ও মৃত্যুসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ বিষয়ে আলোচনা হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা ড. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক নীলুফার আহমেদ, বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) মহাপরিচালক মুহাম্মদ ফসিউল্লাহ, স্থানীয় সরকার বিভাগের জন্ম-মৃত্যু রেজিস্ট্রার মানিক লাল বণিক প্রমুখ বক্তব্য দেন।