ধানের শীষের টিকিট পেলে সাধারণ জনগণ ভোটে বিজয় করবে মাহবুবর রহমান কে ?

Tuesday, November 20th, 2018

মোঃ মজিবর রহমান (ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি) আসন্ন একাদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয়-৪ ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের এটি উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকা।ঠাকুরগাঁও জেলায় নির্বাচনী ৩টি আসনে মধ্যে বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ও রাণীশংকৈল একাংশ (ধর্মগড় ও কাশিপুর ইউ’পি) নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-২ আসন।
সীমান্তবর্তী ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলা ৩টি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এ অঞ্চলের মানুষের সুখে-দুঃখে, দলীয় নেতাকর্মীদের আপদ বিপদে ও সাধারণ মানুষের আপদ বিপদে পারছে থেকে শিক্ষাবিদ ড.টি.এম মাহবুবর রহমান প্রতিনিয়ত
মানুষের মৌলিক চাহিদা (খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা) পূরণের নিমিত্বে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন ড.টি.এম মাহবুবর রহমান। এলাকার সকল মানুষ দাবী তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের গরিব দুঃখী অসহায় ও সাধারণ মানুষের মনের আশা এবং মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে।
মনোনয়ন প্রত্যাশী ড.টি.এম মাহবুবর রহমান সাংবাদিক মজিবর রহমান শেখ কে  জানান, ঠাকুরগাঁও-২ আসনটি আমাদের বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারের পিতা দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়ে গেছে। বিগত ৬ বার আওয়ামীলীগের এমপি হয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন প্রদান করা হলে আমার বিশ্বাস এই আসনে মানুষের ভোটাধিকারের প্রয়োগের মাধ্যমে আসনটি উদ্ধার করে বিএনপি কে উপহার দিতে পারবো সাধারণ জনগণের দোয়া ও ভোটে এই বিশ্বাস আছে ।
উল্লেখ্য, ড. টি.এম মাহবুবর রহমানের জন্ম ও বেড়ে উঠা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৮নং বড়বাড়ী ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামে। ছোট বেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি ১৯৮৭ সালে বালিয়াডাঙ্গী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি, ১৯৮৯ সালে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ হতে এইচএসসি পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১২ সালে শিক্ষা বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন
তিনি বর্তমানে বালিয়াডাঙ্গী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ছাত্র অবস্থায় একাধিক বই লিখেছিলেন এবং বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় একটি সংগঠন গঠিত করেন সেই সংগঠন টির নাম রেখেছিলেন চ্যালেঞ্জার যুব সংঘ । তখনকার সময়ে চ্যালেঞ্জার যুব সংঘ সংগঠনটি খুব শক্তিশালী ছিলেন ।
তিনি দীর্ঘ ৩২ বছর যাবৎ ছাত্রদল, যুবদল, মূলদল সহ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) হয়ে লড়াই করে আসছেন। বর্তমানে তিনি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। এই রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি একাধিক মামলায় জড়িয়ে পড়েন । তিনি বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে একাধিক মামলা থেকে নিষ্পত্তি পান । জাতীয়তাবাদী দল করতে গিয়ে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলা খেয়ে ছিলেন তিনি । তারপরও দলটিকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় নিজ নেতৃত্বের মাধ্যমে ডক্টর টি এম মাহবুবর রহমান । বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাধারণ মানুষ বলেন মাহবুবর রহমান না থাকলে বিএনপি অস্তিত্ব থাকত না ।