পটুয়াখালী-২ আসনে মনোনয়ন চাইছেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক

Sunday, November 18th, 2018

সোহাগ মাহমুদ (পটুয়াখালী প্রতিনিধি) পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলা নিয়ে পটুয়াখালী-২ সংসদীয়  আসন গঠিত।বরাবরই এ আসনে আদিপত্য বিস্তার করে আসছে ক্ষতাশীন বাংলাদেশ আওয়ামীলিগ।এ বছর এ আসনটি উদ্ধার করতে মরিয়া বিএন পি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়তে চান বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হ্যাটট্রিক কাউন্সিলর একেএম হুমায়ুন কবির।
এলাকার জনপ্রিয় নেতা ডেল্টা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফারুক আহম্মেদ তালুকদার বিভিন্ন কারণে ঢাকায় থাকতে বাধ্য হওয়ায় বর্তমানে দল চলছে কাউন্সিলর হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে। ফারুক আহম্মেদ নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ায় তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েন। এ পরিস্থিতিতে হমায়ুন কবির দলীয় মনোনয়ন ফরম কেনেন। এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, মনোনয়ন পেলে এ আসনটি উদ্ধার করে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া হবে। নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন ও তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে তিনি উপজেলা সর্বস্তরের জনগণকে নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নামতে চান।
ফারুক আহম্মেদের হাত ধরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নির্বাচিত হয়ে কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তিনবার নির্বাচিত হন। পরে দলের আস্থাভাজন হওয়ায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং পরে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলে গোটা উপজেলায় তার নেতৃত্বে বিএনপির মিছিল, মিটিং, সভা, সমাবেশ চলে। দলীয় কার্যক্রম করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে পুলিশের দেওয়া অর্ধডজন মামলার ঘানি টানছেন তিনি। বারবার জেলে যেতে হয়েছে তাকে।
এ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক বারবার কারা নির্যাতিত নেতা মুনির হোসেন, জিয়া গবেষণা পরিষদের সভাপতি আনিচুর রহমান আনিচ, কৃষিবিদ একেএম মিজানুর রহমান লিটু।
২০০১ সালের নির্বাচনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল আলম তালুকদার এ আসনটিতে বিজয়ী হন। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় নেতাকর্মী, বিরোধী দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, প্রশাসন, সংখ্যালঘুদের নিজহাতে নির্যাতন চালিয়ে তিনি দেশব্যাপী সমালোচিত হন।মনোনয়নপ্রত্যাশী একেএম হুমায়ুন কবির শহিদুল আলম সম্পর্কে জানান, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আদালতে তার সাজা হওয়ায় আইনি জটিলতায় বিএনপির মূলধারা থেকে তিনি ছিটকে পড়েন। অবসান ঘটে শহিদুল যুগের। এর পর ২০০৮ সালে উপজেলা বিএনপির হাল ধরেন ফারুক আহম্মেদ।