মানিকগঞ্জে শীতের শুরুতেই লেপ-তোশক তৈরী কাজে ব্যস্ত কারিগররা

Thursday, November 15th, 2018

কামরুল খান (মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি) মানিকগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় শীতের শুরুতেই লেপ-তোশক তৈরী করতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা। দিনে গরম আর রাতে বইছে শীতের হিমেল হাওয়া। প্রতি রাতে বাড়ছে শীতের প্রকট। হাড় কাঁপানো শীত না নামলে ও ঋতু পরিবর্তনে অনুভূতি হচ্ছে শীতের ইমেজ আর সেই শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসাবে ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোশক তৈরীর কারিগররা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সাটুরিয়া উপজেলার গোলড়া, তিল্লীচর,মানিকগঞ্জ দুধবাজার ঘুরে দেখা যায় কারিগরদের লেপ-তোশক তৈরীর কাজে মনোযোগ চিত্র। জেলায় পুরোপুরি শীত নামার পূর্বে আগেভাগেই বিভিন্ন ক্রেতা সাধারণরা লেপ-তোশক তৈরীর অর্ডার দিচ্ছেন আর লেপ-তোশক তৈরীর তুলা ও কাপর বিক্রেতার দোকানিতে ভীড় দেখা গেছে। গোলড়াবাজারে লেপ-তোশক তৈরীর তুলা ও কাপর বিক্রেতা আব্দুল হালিম জানান, গত বছরের তুলনায় কাপর-তুলা এবং মজুরীর দাম বেশী হওয়ায় লেপ-তোশক তৈরীতে খরচ বেশী পরেছে। শিমুল তুলা প্রতি কেজি সাড়ে ৪শ৫০ থেকে ৫শ টাকা পর্যন্ত, আঙ্গুরী কার্পাস তুলা প্রতিকেজি ১শ৪০ থেকে ১৪৫ টাকা, আঙ্গুরী পলি প্রতি কেজি ১শ৩০ থেকে ১৩৫ টাকা পর্যন্ত, তোশক তৈরির ফোম তুলা প্রতিকেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, গার্মেন্স তৈরী সাদা তুলা ৯৫ থেকে ১শ টাকা এবং কাপরের দাম মান অনুযায়ী প্রতিগজ ৫০ টাকা থেকে ৫৫টাকা পর্যন্ত। মাঝারি আকারে ১টি লেপ তৈরীতে খরচ হচ্ছে ১৪শ টাকা থেকে ১৫শ টাকা, বড় লেপ তৈরীতে খরচ হচ্ছে ২ হাজার টাকা থেকে ২২শ টাকা পর্যন্ত এবং মাঝারি আকারে তোশক তৈরীতে খরচ হচ্ছে ২৩শ টাকা থেকে ২৬শ টাকা, বড় আকারে ৩ হাজার টাকা থেকে ৩৬শ টাকা পর্যন্ত। তবে শীতের শুরুতে কাজ একটু কম থাকলেও আশা করা যাচ্ছে সামনে শীতবাড়লে বেচা-কেনা বাড়বে।

 কারিগর হাসেম জানান , সাইজ অনুযায়ী আমরা ১টি লেপের মজুরী বাবদ ২শ৫০ থেকে ৩শ টাকা এবং তোশক ৩শ থেকে ৩শ৫০ টাকা, প্রতিটি বালিশ ৫০ থেকে ৬০টাকা পেয়ে থাকি। বর্তমান দিনে গড়ে ৭টি থেকে ৮ টি কাজ করা হচ্ছে তা দিয়েই আমাদের সংসার ভালো চলছে। তবে আরো বেশী শীত নামলে কাজ বেশী হবে।
লেপ-তোশক কিনতে আসা ক্রেতা জসিমউদ্দিন জানান, দিনে গরম থাকলে ও রাতে ঘুমানোর সময় শীত পরে তাই পুরোপুরি শীত নামার পূর্বে আগেভাগেই লেপ-তোশক তৈরীর অর্ডার দিলাম। তাছাড়াও পরে আবার কাজের বেশী ভীর হতে পারে।