১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ১লা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শীতকাল

রাজশাহী-১ তৃণমূল ফারুককে নিয়েই ভোট করতে চাই

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ


আলিফ হুসেন (তানোর প্রতিনিধি) রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি সংসদীয় আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং (সাবেক) শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী এমপির ওপরই ফের আস্থা ও ভরসা রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আগামি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের চতুর্থ বারের মতো তাকেই দলীয় মনোনয়ন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে মাঠ গোছানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে দেশের প্রথম শ্রেণীর দায়িত্বশীল একটি (প্রিন্ট মিডিয়া) গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। সূত্র জানায়, রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুল জল্পনা-কল্পনা, আলোচনা-পর্যালোচনার অবসান ঘটিয়ে চতুর্থ বারের মতো আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধূরী এমপি। অথচ তার এই মনোনয়ন ঠেকাতে আরামের ঘুম হারাম করে দলীয় নেতাকর্মীদের বিপধগামী করার চেস্টায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দলের জনবিচ্ছিন্ন একশ্রেণীর নেতাকর্মী। রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেদের কুকর্ম আড়াল ঢাকতে অন্যর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এছাড়াও এমপিকে জিম্মি করে রাজনীতি করার কৌশল নিয়ে এমপির বিরুদ্ধে বিষোদাগার করে তৃণমূলে তারা নিজেরাই চরম বিপাকে পড়েছে। আবার জামায়াত-বিএনপির কাছে থেকে বিপুল অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে এরা তাদেরই বি-টিম হয়ে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের অত্যন্ত সম্ভবনাময় গোছানো ভোটের মাঠ নস্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলেও গুঞ্জন উঠেছে। ওমর ফারুক চৌধূরী তৃণমূলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে নির্বাচনী এলাকার আপামর জনগণের কাছে এখানো যোগ্য প্রার্থী ও পচ্চন্দের শীর্ষে রয়েছেন। রাজনৈতিক সহাবস্থান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ফলে সকল শ্রেষী-পেশার ভোটারদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার কোনো কমতি নেই। এই আসনে আগামি নির্বাচনে তিনিই আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রার্থীর পারিবারিক ও আর্থিক অবস্থান, উন্নয়ন কাজের মানসিকতা, নেতৃত্বগুন, দল-নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস, তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, শারীরিক-মানসিক দৃঢতা, ব্যক্তি ইমেজ এবং রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ইত্যাদি বিচার-বিশ্লেণণ ও পর্যালোচনা করে সারাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রথম পর্যায়ে প্রাথমিক ভাবে ১৫১টি সংসদীয় আসনে সাম্ভব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছেন, যেখানে রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নাম এসেছে ওমর ফারুক চৌধূরীর। এদিকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই খবর তৃণমূলে ছড়িয়ে পড়লে এমপি ফারুকবিরোধী শিবিরের চোখেমূখে চরম হতাশার চিত্র ফুটে উঠেছে, উবে গেছে স্বপ্ন দিয়েছে রণেভঙ্গ বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের আজকের যেই জয়জয়কার অবস্থান সেটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও নেতৃত্বে তার হাত ধরেই হয়েছে সেই অবদানের কথা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না, তিনি আওয়ামী লীগে আশার আগের অবস্থান ও আশার পরের অবস্থান বিশ্লেসণ করলেই এই সত্য সকলের কাছে দৃশ্যমান হয়ে উঠবে। রাজনীতিতে আশার আগেই এমপি ওমর ফারুক চৌধূরী সিআইপি, রাজশাহীর প্রথম স্বচ্ছ আয়কর দাতা, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হয়েছেন। এছাড়াও তিনি শহীদ পরিবারের সন্তান ও জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনার ভাগ্নে, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে রাজশাহী আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি দু’বার সাংসদ ও একবার প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন, এছাড়াও তিনি দলের নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি বিশস্ত কারণ জেলা পরিষদ নির্বাচনে অবৈধ সুবিধার বিনিময়ে অধিকাংশ নেতা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামলেও একমাত্র ফারুক চৌধূরী দলের সঙ্গে বেঈমানি না করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন। এসব বিবেচনায় প্রার্থীর পারিবারিক ও আর্থিক অবস্থান, উন্নয়ন কাজের মানসিকতা, নেতৃত্বগুন, দল-নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য-বিশ্বাস, তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, শারীরিক-মানসিক দৃঢতা, ব্যক্তি ইমেজ, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ইত্যাদি বিচার-বিশ্লেণণ ও পর্যালোচনা করে সারাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রথম পর্যায়ে প্রাথমিক ভাবে ১৫১টি সংসদীয় আসনে সাম্ভব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছেন, যেখানে রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নাম এসেছে ওমর ফারুক চৌধূরীর। আবার দলের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সিলেকশনের (বিশেষ পচ্ছন্দ) মাধ্যমে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি করেছেন। ফলে এসব বিবেচনায় তিনি তো শেখ হাসিনারই প্রতিনিধি, তাহলে যারা তার বিরোধীতা করছে তারা তো প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে শেখ হাসিনারই বিরোধীতা করছে বিষয়টি তাই নয় কি ? তাহলে তারা এই সরল সমিকরণ টা বুঝছেন না কোনো ? না কি ? বুঝে-শুনেই এসব করছেন তাহলে তাদের মতলব টা কি ? নৌকাকে বিজয়ী করা না নেতার ওপর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে নৌকার বিরোধীতা করে নৌকার পরাজয় ঘটানো, যদি অন্য কেউ মনোনয়ন পায় তাহলে জেলা সভাপতি হিসেবে কি তার প্রয়োজন হবে না। আবার এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ওঠা উঙ্খাপিত অভিযোগগুলো যদি বির্তকের খাতিরে সত্য বলে বিবেচনা করা হয় তার পরেও তো এখানে তার কোনো বিকল্প নেতৃত্ব নাই তাহলে কেনো তার বিরুদ্ধে এতো অপপ্রচার। তৃণমূলের অভিমত, যারা এমপি ফারুকের বিরোধীতা করে বিষোদাগার বা অপপ্রচার করছে তারা যদি সত্যিই বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের আদর্শকে বুকে ধারণ করে থাকে তাহলে তারা এসব না করে বরং তার বিরুদ্ধে যদি শক্ত কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে তাকে তা শোধরানোর সুযোগ দিয়ে তাকে বিজয়ী করার লক্ষ্য নিয়ে তার সঙ্গে তাদের চলার কথা। কিšত্ত তারা তো তা করছে না বরং আওয়ামী লীগে থেকে আওয়ামী লীগের বিরোধীতা করে জামায়াত-বিএনপির বি-টিম হয়ে রাজনীতির মাঠে কাজ করছে। অথচ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে (একজন নেতা) পরীক্ষিত নেতৃত্ব এমপি ফারুকের এতো অর্জন থাকার পরেও তাকে বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্ব দিয়ে আওয়ামী লীগ ঝুঁকি নিবেন (অন্য কাউকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন) এটা তো আওয়ামী লীগ বিরোধীরা বিশ্বাষ করে না। আবার যারা এমপি হবার খোয়াব ও প্রার্থী হবার দিবাস্বপ্ন দেখছেন তারা কি তানোর-গোদাগাড়ী ভোট করে নির্বাচিত হবার মতো গ্রহণযোগ্যতা রাখে, না তাদের সেই জনপ্রিয়তা রয়েছে, তাহলে মনোনয়ন পাবেন না এটা নিশ্চিত হয়েও কেনো মনোনয়নের কথা বলে রাজসীতির মাঠে পানি ঘোলা করা হচ্ছে, আসলেই কি এরা মনোনয়ন চাই, না নেপথ্যে অন্যকিছু রয়েছে। তৃণমূলের অভিমত, এরা আসলে এমপিকে জিম্মি করতে ব্যর্থ হয়ে তার পরাজয় ঘটানোর জন্য বিশেষ মহলের নেপথ্যে মদদে জামায়াত-বিএনপির বি-টিম হয়ে কাজ করছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণের অভিমত, প্রচার সংখ্যা ও পাঠকপ্রিয়তার দেশের প্রায় শীর্ষে রয়েছে গণমাধ্যমটির অবস্থান। ফলে এমন দায়িত্বষীল একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে সত্য বলেই ধরে নেয়া যায়। রাজশাহী-১ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এতোদিন যেসব আলোচনা বিরাজমান ছিল গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই খবরের মধ্য দিয়ে সেসব আলোচনার সমাপ্তি ঘটেছে। কারণ হিসেবে দেখা এমপি ফারুক চৌধূরীকে নিয়ে যত ধরণের বিতর্কই সৃষ্টি করা হোক না কেনো এখানে তাকে উপেক্ষা করে তার শূণ্য স্থান পূরুণের মতো সবল নেতৃত্ব এখানো আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গড়ে উঠেনি। বিশ্লেষকরা বলছে, আবার যদি বিএনপি থেকে সাবেক ডাকমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক প্রার্থী হয় তাহলে প্রতিপক্ষ প্রাথীকে টেক্কা দিয়ে বিজয়ী হওয়ার মতো সাহস-মনোবল, কর্মীবাহিনী ও গ্রহণযোগ্যতা আওয়ামী লীগে কেবলমাত্র ফারুক চৌধূরীর মধ্যেই বিরাজমান রয়েছে। এছাড়াও বিএনপি-জামায়াতের ঘাঁটি বলে পরিচিত রাজশাহী অঞ্চলে আওয়ামী লীগের আজকের যেই শক্ত অবস্থান ও জয়জয়কার তা এমপি ফারুক চৌধূরী নেতৃত্বে আসার পরে তার নেতৃত্বে ও হাত ধরেই হয়েছে এটা দিবালোকের মতো সত্য। এসব বিবেচনায় আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে আবারো এমপি ফারুক চৌধূরী নৌকার মাঝি হচ্ছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এব্যাপারে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক শরীফ খাঁন বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে, তবে এখানে এমপি ফারুক চৌধূরীর বিকল্প কোনো নেতৃত্ব এখানো গড়ে উঠেনি, কাজেই তিনিই আবারো নৌকার মাঝি হবেন এটাই স্বাভাবিক ও নিশ্চিত।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT