২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

মেয়ের বাল্যবিয়ে দিতে পুত্রবধূকেই কনে বললেন মা

প্রকাশিতঃ আগস্ট ৩১, ২০১৮, ১:৩০ অপরাহ্ণ


নীলফামারীর ডিমলায় বৃহস্পতিবার রাতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর গোপনে বাল্যবিয়ে দিচ্ছিল পরিবার। কিন্তু হঠাৎ ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্যদের নিয়ে বিয়ে বাড়ি উপস্থিত হন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার। এ সময় মেয়ে যে অপ্রাপ্তবয়ষ্ক নয় সেটা প্রমাণ করতে পুত্রবধূকেই সবার সামনে কনে হিসেবে নিয়ে আসেন মেয়ের মা।

কিন্তু সত্যটা আর গোপন থাকেনি। অবশেষে ওই বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা, মা ও বরের পরিবারকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের দোহলপাড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। কনে আসমা আক্তার দোহলপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

এ সময় বাল্যবিয়ে দেয়ার অপরাধে স্কুলছাত্রীর বাবা রমজান আলীকে ৫ হাজার, সরকারি কাজে বাধা ও পুত্রবধূকে কনে হিসেবে দেখানোর অভিযোগে মা রোমেলা বেগমকে ৫ হাজার ও বর জিয়ারুল ইসলামকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, স্কুলছাত্রী আসমার সঙ্গে পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ঠাকুরগঞ্জ গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে জিয়ারুল ইসলামের (১৬) বিয়ে ঠিক করা হয়। বরযাত্রী আসার পর বৃহস্পতিবার রাত ২টায় পুলিশ, ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্যদের নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহার।

এ সময় খগাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন, ইউপি সদস্য মকবুল হোসেন, যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, এসআই ইলিয়াছ আলীসহ এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নাজমুন নাহার বলেন, মেয়ের বাল্যবিয়ে দেবে না মর্মে সকলের উপস্থিতিতে অঙ্গিকার নামা উভয় পরিবার লিখে দিয়েছেন।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT