২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

ব্যারিস্টার অন্ধের যষ্ঠিও হারালো !

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮, ১১:১০ অপরাহ্ণ


আলিফ হুসেন (তানোর প্রতিনিধি) রাজশাহী অঞ্চলে রাজনীতির মাঠে সাবেক ডাকমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার আমিনুল হক এবার অন্ধের যষ্ঠিও (একমাত্র অবলম্বন) হারালেন। জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে তানোর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপির সাবেক সভাপতি এমরান আলী মোল্লা ইন্তেকাল করেছেন, ইন্নালিল্লাহে….রাজেউন। এদিকে তানোর ও গোদাগাড়ী বিএনপির একমাত্র আশ্রয় স্থল ও ব্যারিস্টারের একমাত্র অবলম্বন এমরান আলী মোল্লাকে হারিয়ে ব্যারিস্টার আমিনুল দিশেহারা হয়ে উঠেছে, চোখে-মূখে ফুটে দেথা গেছে হতাশার ছাপ মানষিকভাবেও অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে হারিয়েছে রাজনীতি করার মনোবল বলে তাঁর ঘনিষ্ঠরা নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, রাজনৈতিক জীবনে ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ঘনিষ্ঠ দু’রাজনৈতিক সহচর একজন শীষ মোহাম্মদ প্রয়াত ও অপরজন আব্দুল মজিদ মাষ্টার আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন এবং গোদাগাড়ী বিএনপির নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। তানোর পৌরসভার (সাবেক) মেয়র এএইচএম ফিরোজ সরকারও বিএনপি ছাড়া বাকি ছিল কেবল মাত্র একজন তিনি হলেন তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান এমরান আলী মোল্লা। এই রাজনৈতিক নেতা মূত্যুর কাছে পরাজিত হলেও কখানোই নীতি-নৈতিকতা বা আদর্শের কাছে পরাজিত হননি ছেড়ে যাননি বিএনপি। এমরান আলী মোল্লা ১৯৯৯ প্রথম ও ২০০৪ দ্বিতীয় বার তানোর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তানোর পৌর সভার মেয়র থাকা অবস্থায় ২০০৯ সালে প্রথম ও ২০১৪ দ্বিতীয়বার তানোর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এক টানা কুড়ি বছর ধরে তিনি জনপ্রতিনিধি হয়ে আসছেন। তিনি দু’বার তানোর উপজেলা যুবদলের সভাপতি ও দু’বার তানোর উপজেলা বিএনপির সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যু’র সময় তিনি তানোর উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা ও তানোর উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে শয্যাশয়ী ছিলেন। তৃণমূলের অভিমত, যেই এমরান আলী মোল্লার ওপর ভর করে ব্যারিস্টার আমিনুল পূর্ণমন্ত্রী,প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ হয়েছিলেন সেই জননন্দিত রাজনৈতিক নেতার চিকিৎসা করাতে এগিয়ে আসেনি টাকার কুমির ব্যারিস্টার আমিনুল হক। যেটা বিএনপির তৃণমূল কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছে না। যদিও মূত্যুর বিষয়ে কারো হাত নেই তবুও এমরান আলী মোল্লার মতো এতো ত্যাগী ও জনদরদী নেতার এমন অকাল মূত্যু কেউ সহজে মেনে নিতে পারছে না। তৃণমূলের দাবি তাকে বিদেশ নিয়ে উন্নত টিকিৎসা করানো হলে হয়তো আরো কিছুদিন বাঁচতে পারতেন যেটা ব্যারিস্টার আমিনুল করতে পারতেন। এর আগে আরেক নেতা শীষ মোহাম্মদ কিদেশে উন্নত চিকিৎসা করাতে ব্যর্থ অসময়ে প্রয়াত হয়েছেন। এখন জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, যিনি টাকার কুমির হয়েও নিজ দলের দায়িত্বশীল নেতা ও ঘনিষ্ঠ সহচরের চিকিৎসায় এগিয়ে আসেন না তিনি নেতা হয়ে সাধারণ মানুষের কতটুকু উপকারে আসতে পারবেন সেটা ভেবে সাধারণ শঙ্কিত। শীষ মোহাম্মদ ও এমরান আলী মোল্লা প্রয়াত, আব্দুল মজিদ ও ইসাহাক আলী আওয়ামী লীগে এবং ফিরোজ সরকার দলছুট আর এসবের মধ্যদিয়ে রাজশাহী-১ আসনের রাজনীতিতে ব্যারিস্টার আমিনুল হক যুগের অবসান ঘটেছে, হয়েছে সূর্যাস্ত এই অঞ্চলের রাজনীতিতে সেই সূর্য্য আর কখানোই উদয় হবে না বলে তৃণমল আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT