২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

ফেনীতে দেশের প্রথম ছয় লেনের উড়ালসেতু

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ৪, ২০১৮, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপালে ছয় লেনের উড়ালসেতু (ফ্লাইওভার) আজ বৃহস্পতিবার থেকে চালু হচ্ছে। দুপুর ১২টায় ঢাকার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উড়ালসেতু উদ্বোধন করবেন। এরপর তা যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার রায়। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে দেশের প্রথম ছয় লেনের উড়ালসেতুটি নির্মিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক গতকাল বুধবার বলেন, ভিডিও কনফারেন্সের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে স্থানীয় সাংসদ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনও উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবনে ফলক উন্মোচনের সময় মহিপালে উড়ালসেতুর এক প্রান্তে চাড়িপুর কোব্বাদ আহম্মদ উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাও ফলক উন্মোচন করবেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপালের ছয় লেন উড়ালসেতু শুধু ফেনীবাসীর নয়, সারা দেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। কমে যাবে যানজট।

বহু প্রতীক্ষিত মহিপাল উড়ালসেতু চালুর খবর শুনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন উচ্ছ্বসিত। ফেনী পৌরসভার মহিপাল এলাকার স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মিয়াজি বলেন, এ উড়ালসেতু চালু হলে মহিপালের নিত্যদিনের যানজটের নিরসন হবে।

অপরদিকে খায়ের আহম্মদ নামের একজন কাভার্ড ভ্যানের চালক বলেন, মহাসড়কের ফেনীর ফতেপুর রেলক্রসিং এলাকায় নির্মাণাধীন ওভারপাসের কাজ শেষ না হলে মহিপালের ছয় লেনের উড়ালসেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দিলেও তার সুফল পাওয়া যাবে না। যানবাহনগুলো ফতেপুর রেলক্রসিং এলাকায় গিয়ে এক লেনেই পার হতে হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রধান মেজর জেনারেল ছিদ্দিকুর রহমান সরকার বলেন, ১৮১ কোটি ৪৮ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ফেনীর মহিপালে দেশের প্রথম ছয় লেনের উড়ালসেতু নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগেই শেষ হয়েছে। উড়ালসেতুটি ছয় লেনের হলেও সেতুর নিচের দুই পাশের চার লেনও চালু থাকবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট মহিপালে এখন ১০ লেন সড়কই হচ্ছে।

প্রকল্প সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল উড়ালসেতুর কাজ শুরু হয়। কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময় ছিল ২০১৮ সালের ৩০ জুন। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ হয়েছে। মূল উড়ালসেতুর দৈর্ঘ্য ৬৬০ মিটার, প্রস্থ ২৪ দশমিক ৬২ মিটার। এতে ১১টি স্প্যান ও গার্ডার রয়েছে ১৩২টি। আছে সংযোগ সড়কও।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগী প্রতিষ্ঠান আবদুল মোমেন লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক রবীন্দ্র কুমার দাস বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক রেখে উড়ালসেতু নির্মাণ করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT