২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

দেরিতে আসায় খালেদার আইনজীবীদের ভর্ৎসনা

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ১০, ২০১৮, ১:৫১ অপরাহ্ণ


দেরিতে আসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের ভর্ৎসনা করছেন আদালত। আজ বুধবার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান দেরিতে আসার জন্য খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে তাঁর আইনজীবীকে ভর্ৎসনা করেন। এ সময় তিনি আট দিন ধরে চলতে থাকা যুক্তিতর্ক শেষ করতে বললে হইচই শুরু করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

আজ বেলা ১১ টা ৫২ মিনিটে আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া। দুপুর ১২ টায় বিচারক এজলাসে বসেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি তর্ক শুরু করেন তাঁর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। সে সময় আদালত বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা সকাল সাড়ে ৯টায়। আপনারা ১২ টার সময় কেন আসলেন? আপনারা আসেন না আসেন, এরপর থেকে আমি সকাল সাড়ে ১০ টায় আদালতের কার্যক্রম শুরু করব।’
আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর উদ্দেশে বিচারক বলেন, তিনি অষ্টম দিনের মতো যুক্তিতর্ক শুনছেন। এর আগে খালেদা জিয়ার অপর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুর রেজাক খান বিস্তারিত বলেছেন। ‘আজই আপনারা শেষ করবেন’—আদালত এটা বলার সঙ্গে সঙ্গে এজলাসে উপস্থিত বিএনপির আইনজীবীরা হইচই শুরু করেন।
ওই সময় বিচারক বলেন, ‘আপনারা হইচই করলে আমি আদালতের কার্যক্রম মুলতবি করব।’

তখন খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী আবদুর রেজাক খান বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি, মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে যুক্তিতর্ক তুলে ধরতে। যতক্ষণ প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আমাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ না হচ্ছে, ততক্ষণ অনুগ্রহ করে আমাদের সময় দেবেন।’ এরপরই পরিস্থিতি শান্ত হয়।
রেজাক খানকে সমর্থন করে মোহাম্মদ আলী আদালতের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি আমাদের কেন সময় বেঁধে দিচ্ছেন? আমি তো জাল নথিপত্র তৈরি করে মামলাটি করা হয়েছে বলে যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করছি। জাল নথিপত্র তৈরি করা অপরাধ।’
এরপর মামলায় অষ্টম দিনের মতো যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়। এর আগেও গত ৪ জানুয়ারি যুক্তি তর্ক শুনানি করেন এ জে মোহাম্মদ আলী। তাঁর কাছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান জানতে চান, কুয়েতের আমির কত টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দান করেছিলেন?

এ সময় এ জে মোহাম্মদ আলী আদালতকে বলেন, এই তহবিল পাবলিক তহবিল কি না, সেটা আগে নির্ণয় করতে হবে। এই টাকার উৎস নির্ণয় করা জরুরি। এর আগে তিনি সাবেক রাষ্ট্রদূত আবদুস সাত্তারের জবানবন্দি ও জেরার অংশ পড়ে শোনান। আদালতকে তিনি জানান, বাংলাদেশে কুয়েত দূতাবাস থেকে যে পত্র দেওয়া হয়েছিল, সেখানে বলা আছে, কুয়েতের আমির জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টকেই টাকা দেন। এরপরই আদালত তাঁর কাছে কত টাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দেওয়া হয়েছিল তা জানতে চান। জবাবে তিনি বলেন, এই পত্রে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। তখন আদালত তাঁর কাছে আবার প্রশ্ন করেন, টাকার অঙ্ক যেহেতু উল্লেখ নেই, তাহলে আপনারা কী জানতে চেয়েছিলেন। ওই পত্র কার স্বাক্ষরিত, এটাও আদালত তাঁর কাছে জানতে চান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া, তাঁর বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ছয়জন আসামি।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT