২২শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

তানোর আওয়ামী লীগে বোধদয়

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ


আলিফ হোসেন (তানোর প্রতিনিধি) – রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এখানে এমপি ফারুকের কোনো বিকল্প নাই, অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতার কথা বলে তার বিরোধীতা করে যারা মাঠে নেমেছে তারা জামায়াত-বিএনপির চর ও বি-টিম হয়ে কাজ করছে যেটা এতোদিন তারা বুঝতে পারেনি। তারা বলছে, এমপি ফারুকের কারণেই আজ তারা বুঁক উচিয়ে চলার পাশপাশি সক্রীয়ভাবে সংগঠন করতে পারছেন। অথচ এক সময় আওয়ামী লীগ করলেও প্রতিপক্ষের ভয়ে তারা আওয়ামী লীগের পরিচয় দেয়া পারেন নি। তাই যদি কোনো কারণে এমপি ফারককে তাদের মধ্যে থেকে হারিয়ে যায় তাহলে তার কিছুই হবে না হবে তৃণমূলের তাদের আবারো খড়কুটের মতো ভাসমান হয়ে হারিয়ে যেতে। আবার তৃলমূল বলছে, এমপির সঙ্গে তাদের তো কোনো বিরোধ নাই, তাছাড়া তিনি তো তানোরের বাসিন্দা আমাদেরই প্রতিবেশি সেটাই বা কম কি তাহলে কেনো তারা এতোদিন মিছে এমপিবিরোধীদের পিছনে ছাঁয়ার মতো দৌড়াচ্ছেন তাদের মধ্যে এই বোধদয়ের পরে রাজনীতির মাঠের চিত্র পুরোপুরি পাল্টে গেছে এরা ফের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এমপি শিবিরে যোগ দিয়ে দলীয় কমকান্ড জোরদার করেছে এতে এমপি ফারুককে ঘিরে তৃণমূলে রীতিসত গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের একটাই দাবি রাজনীতিতে যাইহোক এমপি হিসেবে তার কর্মী-জনবান্ধব ও নাজনৈতিক সহাবস্থান সৃষ্টিকারী নেতা এমপি ফারুক চৌধূরীকেই চাই। দু’বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও (সাবেক) শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী এমপি নির্বাচনী মাঠে তথা কথিত সেভেন স্টারের থেকে জনপ্রিয়তায় অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছেন। ফলে পরীক্ষিত নেতৃত্ব এমপি ফারুকের উপরেই ফের আস্থা ও ভরসা রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আগামি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো তাকেই দলীয় মনোনয়ন দেয়ার সবুজ সঙ্কেত দিয়ে মাঠ গোছানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠরা নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, প্রার্থীর পারিবারিক ও আর্থিক অবস্থান, উন্নয়ন কাজের মানসিকতা, নেতৃত্বগুন, দল-নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য-বিশ্বাস, তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, শারীরিক-মানসিক দৃঢতা, ব্যক্তি ইমেজ, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ইত্যাদি বিচার-বিশ্লেণণ ও পর্যালোচনা করে সারাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রথম পর্যায়ে প্রাথমিক ভাবে ১৫১টি সংসদীয় আসনে সাম্ভব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছেন, তালিকায় রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নাম এসেছে ওমর ফারুক চৌধূরীর।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, রাজনীতিতে আশার আগেই এমপি ফারুক সিআইপি, রাজশাহীর প্রথম স্বচ্ছ আয়কর দাতা, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হয়েছেন। এছাড়াও তিনি শহীদ পরিবারের সন্তান ও জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনার ভাগ্নে, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে রাজশাহী আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, তিসি বিশ বছরে কি বিশ হাজার মানুষের উপকার করতে পারে নি যদি করেন তাহলে তো তার বিশ হাজার কর্মী মাঠে রয়েছে, তিনি দু’বার সাংসদ ও একবার প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন, এছাড়াও দলের প্রতি বিশস্ত কারণ জেলা পরিষদ নির্বাচনে অবৈধ সুবিধার বিনিময়ে অধিকাংশ নেতা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামলেও একমাত্র ফারুক চৌধূরী দল,নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেঈমানি না করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন। এসব বিবেচনায় দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সিলেক্শনের (বিশেষ পচ্ছন্দ) মাধ্যমে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি করেছেন। রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের আজকের যে জয়জয়কার অবস্থান সেটিও তার রাজনৈতিক দূরদর্শীতা ও নেতৃত্বে হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগে আশার আগের অবস্থান ও আশার পরের অবস্থান বিশ্লেসণ করলেই এই সত্য সকলের কাছে দৃশ্যমান হবে এসব বিবেচনায় তিনি কথিত সেভেন স্টারের থেকে জনমত জরিপ ও জনপ্রিয়তায় অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছেন।
এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে নির্বাচনী এলাকার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের (সাবেক) চেয়ারম্যান একেএম আতাউর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (সাবেক) মতিউর রহমান, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র গোলাম রাব্বানী, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বদরুজ্জামান রবু মিয়া ও এ্যাডঃ মকবুল হোসেন খাঁ, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র মনিরুল ইসলাম বাবু, এবং জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল ওহাব জেমস প্রমূখ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যশা ও এমপি ফারুকের মনোনয়ন ঠেকানোর ঘোষণা দিয়ে মাঠে নামে এবং (সেভেন স্টার) নামে পরিচিতি লাভ করে। কিšত্ত তারা তৃণমূলে তেমন কোনো সাড়া জাগাতে ব্যর্থ হয় এবং মাঠের পুরো নিয়ন্ত্রণ এমপি ফারুকে কাছে রয়ে যায়। এর ফলে নির্বাচনী মাঠে তাদের খেকে এমপি ফারুক জনমত জরিপ ও জনপ্রিয়তায় অসেক এগিয়ে রয়েছে এটা আবারো প্রমাণিত হয় বলে তৃণমূলের অভিমক।
অপরদিকে র্তণমূলের ভাষ্য, সেভেন স্টারের মধ্যে একেএম আতাউর রহমান বার্ধক্যজনিত কারণে রাজনীতিতে অনেকটা আনফিট এছাড়াও তিনি গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাচনে পরাজিত হয়েচেন। ওদিকে অতিরিক্ত আইজিপি (নাবেক) মতিউর রহমান পুলিশের লোক হওয়ায় মাঠে তার তেমন কোনো জনসম্পৃক্ততা নাই, নাই কর্মী বাহিনী। এদিকে আবার তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানি দু’বার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে তানোর উপজেলা নির্বাচন অংশগ্রহণ করে দু’বারই বিএনপি প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন অথচ তানোরের থেকে গোদাগাড়ী উজেলার ভোটের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুন। অর বাকিদের নিয়ে এমপি নির্বাচনে আলোচনা করার মতো তেমন কোনো সুযোগ নাই। রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা উঠেছে, তাহলে এরা কি হেভিওয়েট ও অপ্রতিদ্বন্দ্বি নেতা এমপি ফারুকের শূণ্য স্থান পূরুণ বা এমপি নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারবেন-? না কি-? কর্মী-জনবান্ধব ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব এমপি ফারুকের পরিবর্তে এদের কাউকে মনোনয়ন দিয়ে আওয়ামী লীগ ঝুঁকি নিবেন এটা তো আওয়ামী লীগবিরোধীরাও বিশ্বাস করে না। এসব বিবেচনায় সেভেন স্টারের থেকে এমপি ফারুক জনমত জরিপ ও জনপ্রিয়তায় অনেক এগিয়ে রয়েছে এবং এখানে এমপি ফারুকের মনোনয়ন নিশ্চিত বলে একাধিক সূত্র এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT