১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

তানোরে ১০ চোরকে জরিমানা ও কানধরে উঠবস !

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ৩, ২০১৮, ১২:৩১ অপরাহ্ণ


রাজশাহীর তানোরে সন্দেহজনক সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেটের ১০ সদস্যকে (চোর) গ্রাম্য সালিসে প্রত্যককের ১২ হাজার টাকা করে জরিমানা ও কানধরে উঠবস করানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর এই সালিস-বৈঠকে ঘটনা ঘটেছে বাধাইড় ইউপির জুমারপাড়া গ্রামে। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সোমবার দিবাগত রাতে জুমারপাড়া স্কুল মাঠে এই সালিস বৈঠক হয়েছে বলে একাধিক সূত্র এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, তানোরের বাধাইড় ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের নেতৃত্বে আয়োজিত সালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাধাইড় ইউপির (সাবেক) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইউপি সদস্য ( মেম্বার) মুকুল হোসেন, সার ব্যবসায়ী সাজাহান আলী, সাদিকুল ইসলাম ও আহসান হাবিব প্রমূখ। এদিকে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেটের এসব সদস্যদের আইনের আওতায় না দিয়ে গ্রাম্য সালিশে শুধুমাত্র জরিমানা ও কানধরে উঠবস করিয়ে ছেড়ে দেয়ায় এলাকার জনমনে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর বৃহ¯প্রতিবার দিবাগত রাতে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য (চোর) সন্দেহে গ্রামবাসি ১০ জনকে (চোর) আটক করে ইউপি সদস্য (মেম্বার) মুকুলের জিম্মায় রাতভর আটকে রাখা হয় পরের দিন ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার বাধাইড় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আটককৃত ১০ জনের অভিভাবকসহ তাদের স্বাক্ষর নিয়ে আটককৃতদের ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেন। ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশনার পর অভিভাবকসহ আটককৃতদের স্বাক্ষর নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য,সম্প্রতি বাধাইড় ইউপির বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতিরাতে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন রাস্তার ট্রলি থেকে ধান নামানো শুরু করে বিত্তশীলদের বাড়ীতে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পায়। এদিকে চুরি করা মালামাল তারা জনৈক আকতার হোসেনের দোকানে বিক্রি করতো। কিšত্ত গত ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি আকতার হোসেনের দোকানে চুরি হলে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেটের গোমর ফাঁস হয়ে পড়ে। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সালিস বৈঠকের অন্যতম সদস্য সার ব্যবসায়ী শাহজাহান আলী বলেন, এলাকায় শান্তি বজায় রাখার জন্য এবং আর যাতে চুরি না হয় যার কারনে সালিশ বিচারে জরিমানাসহ তাদের হালকা শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে বাধাইড় ইউপির (সাবেক) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সালিস বৈঠকের কথা স্বীকার করে বলেন, এবিষয়ে কোন কিছু বলার থাকলে বাধাইড় ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বার) মুকুলের সঙ্গে কথা বলর পরামর্শ দেন। ব্ধাাইড় ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বার) মুকুলের ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলে তার ছেলে রিসিভ করে জানান তার আব্বা বাড়ীতে নেই। এব্যাপারে বাধাইড় ইউপির চেয়ারম্যান ও ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি আতাউর রহমান ঘটনাটি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নাই।

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT