১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ১লা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শীতকাল

তানোরে এমপি ফারুকের প্রচেস্টায় কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়ন চিত্র

প্রকাশিতঃ ডিসেম্বর ৭, ২০১৮, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ



আলিফ হোসেন,তানোর
প্রতিনিধি: তানোরে স্থানীয় সাংসদ, রাজশাহী জেলা
আওয়ামী লীগের সভাপতি, (সাবেক) শিল্প প্রতিমন্ত্রী
আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী জনপ্রতিনিধি পর্যায়ে
কৃষিতে বিশেষ অবদান ও বৃক্ষরোপণে জন্য রাস্ট্রপতি এবং
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরুস্কার স্বরুপ স্বর্ণপদক অর্জন
করেছেন ও কুষিবিদ এই রাজনৈতিক নেতার দিকনির্দেশনা
এবং প্রচেস্টায় আওয়ামী লীগের ১০ বছরে কৃষিক্ষেত্রে
অপ্রত্যাশিত, দৃশ্যমান ও নজর কাড়া উন্নয়ন অর্জিত
হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের কৃষিক্ষেত্রে এসব
উন্নয়নের ফলে প্রান্তিক কৃষক পরিবারেও সমৃদ্ধি ও সূখ
ফিরেছে। আবার জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি
কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান এবং বৃক্ষরোপণে রাস্ট্রপতি ও
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণ পদক অর্জন করেছেন তাঁর ঐকান্তিক
প্রচেষ্টায় কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন অর্জিত হয়েছে।
এমপি ফারুকের প্রচেস্টায় তানোরে ৫টি কোল্ডস্টোর
(হিমাগার) নির্মাণ হয়েছে। তিনি এসব হিমাগার
নির্মাণে প্রত্যক্ষভাবে অর্থ বিনিয়োগ না করল্ধেসঢ়;ও
পরোক্ষভাবে সহযোগীতা করেছেন তার সহযোগীতা ব্যতিত
এসব কৃষি ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠার কোনো
সুযোগ ছিলনা। ইতিপূর্বে বিএনপি-জামায়াতের
জনপ্রতিনিধিরা কুড়ি বছর এমপি ও মন্ত্রী হয়ে থাকলেও
সাধারণ কৃষকের কথা তারা বিবেচনা না করায় কৃষি
ভিত্তিক কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি। অথচ এমপি
ফারুক সাধারণ কৃষকের কথা বিবেচনা করে তার ১০ বছর
সময়ের মধ্যে এসব কৃষি ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে
তুলতে সহায়তা করেছেন তার নেপথ্যে সহায়তায় এসব
কৃষি ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান (হিমাগার) গড়ে উঠেছে।
এসব হিমাগার নির্মাণের ফলে বাইরের আলু চাষিরা
বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে এখন তানোরে আলু

চাষের প্রকল্প হাতে নিয়ে আলু চাষ করছেন। এতে একদিকে
জমি ভাড়া দিয়ে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে
অন্যদিকে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ
সৃষ্টি হয়েছে। ফলে তানোরের বিভিন্ন এলাকায় বিগত ৫
বছর আগেও যেসব কৃষি জমিতে কৃষকরা ধান চাষ হয়েছে
এখন সেই সব কৃষি জমি ভাড়া (তিন মাস) দিয়ে ৮ থেকে
১০ হাজার টাকা করে আয় করতে পারছেন। তানোরে এমপি
ফারুকের প্রচেস্টায় কৃষি ভিত্তিক এসব শিল্প প্রতিষ্ঠান
গড়ে কৃষিক্ষেত্রে আমুল পরিবর্তন হয়েছে যার সুফল
পাচ্ছেন দলমত নির্বিশেষে এই জনপদের সাধারণ কৃষক
পরিবার। তানোরের কৃষিক্ষেত্রে এই আমূল পরিবর্তনের
কৃতিত্ব একমাত্র এমপি ফারুকের বলে মনে করছেন কৃণি
বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও রয়েছে সার-সেচ ভুর্তুকি,
প্রণোদনা ও বিনামূল্য কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিগত ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১
সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরবারের সময়ে
প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের দাম ছিল ২০ টাকা,
টিএসপি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, এমওপি প্রতি কেজি
৭০ টাকা এবং ডিএপি প্রতি কেজি ৯০ টাকা। তাদের
সময়ে প্রতিটি সারের দাম ছিল সাধারণ কৃষকের ক্রয়
ক্ষমতার বাইরে এবং ছিল সরবরাহ ঘাটতি যে কারণে সারের
জন্য কৃষককে প্রাণ দিতে হয়েছিল। অথচ ২০০৯ সাল থেকে
২০১৮ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রতি
কেজি ইউরিয়া ১৬ টাকা, টিএসপি প্রতি কেজি ২২
টাকা, এমওপি প্রতি কেজি ১৫ টাকা এবং ডিএপি
প্রতি কেজি ২৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। অর্ধাৎ
আওয়ামী লীগ সরকার প্রতি কেজি ইউরিয়া সারে ৪ টাকা,
প্রতি কেজি টিএসপি সারে ৫৮ টাকা, প্রতি কেজি
এমওপি সারে ৫৫ টাকা এবং প্রতি কেজি ডিএপি সারে
৬৫ টাকা করে ভুর্তুকি দিয়ে দাম কমিয়ে কৃষকদের ক্রয়
ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে এসেছে ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ

নিশ্চিত করেছেন। ফলে এখন সারের জন্য কৃষককে প্রাণ
দিতে হয় না বরং সরবারহ নিশ্চিত হওয়ায় সার কৃষকের
পিছনে ঘোরে।
সূত্র জানায়, তানোরে কৃষিক্ষেত্রে প্রতি বছর ১,৯৮,৮০৮
মেট্রিক টন সার ব্যবহৃত হচ্ছে এসব সারে আওয়ামী লীগ
সরকার শুধুমাত্র তানোর উপজেলায় ৬০৯ কোটি টাকা
ভূর্তুকি দিচ্ছেন যেই টাকা সাধারণ কৃষকের ঘরে সঞ্চয়
হচ্ছে। এছাড়াও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে
আউশ ও কৃষি প্রণোদণার ব্যবস্থা ছিল না, তবে আওয়ামী
লীগ সরকারের সময়ে আউশ ও কৃষি প্রণোদনা শুরু হয়েছে।
তানোর উপজেলায় প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কৃষি
প্রণোদনা দেয়া হয়েছে দুই কোটি ৩০ লাখ টাকা।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে কৃষি
যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য কোনো অর্থ ছিল না। তবে আওয়ামী
লীগ সরকারের সময়ে কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ
করা হয়েছে। তানোর উপজেলায় কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য
এক কোটি টাকা কৃষকদের মধ্যে প্রদান করা হয়েছে।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে কৃষিতে সেচ
ভুর্তুকি বাবদ কোনো অর্থ বরাদ্দ ছিল না, তবে আওয়ামী
লীগ সরকারের সময়ে কৃষি সেচ ভুর্তুকি বাবদ অর্থ বরাদ্দ
করা হয়েছে, কৃষি সেচ বাবদ ৩০ শতাংশ অর্থ ভুর্তুকি
দেয়া হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কোনো অর্থ দেয়া
হতো না, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রাকৃতিক
দুর্যোগ মোকাবেলায় অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে, প্রয়োজন
মোতাবেক এসব অর্থ কৃষকদের মধ্যে দেয়া হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ সরকার কৃষিক্ষেত্রে ভুর্কুকি দেয়ার ফলে
কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন ও অগ্রগতি হয়েছে।
জানা গেছে, ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ ৪র্থ তম, পাট
উৎপাদনে ২য়, পাট রপ্তানিতে প্রথম, সবচি উৎপাদনে ৩য়,
আম উৎপাদনে ৭ম, আলু উৎপাদনে ৮ম, পেয়ারা ইৎপাদনে ৮ম,
রসুন উৎপাদনে ৬ষ্ঠ, চা উৎপাদনে ৪র্থ ও ফল উৎপাদনে
বাংলাদেশ ২৮তম স্থানে রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ শ্রীলংকায়

৫ লাখ মেট্রিক টন চাউল রপ্তানি ও ভূমিকম্পের সময় নেপালে
৪ হাজার মেট্রিকটন চাউল সহায়তা, রাশিয়ায় প্রায় ৫ লাখ
মেট্রিকটন আলু ও সিঙ্গাপুর-নেপাল-মালেশিয়া ও
শ্রীলংকায় আলু রপ্তানি করছে। এছাড়াও রাজশাহী থেকে
প্রায় ৩৫ মেট্রিকটন আম ইউরোপে রপ্তানি ও মধ্যপ্রাচ্যর
বিভিন্ন দেশে সবজি রপ্তানি করছে। এখন প্রশ্ন হলো
উপকারীর উপকার শিকার বা কৃতজ্ঞতা যারা প্রকাশ করে না
তারা অকৃতজ্ঞ আর অকৃজ্ঞকে স্বয়ং সৃষ্টি কর্তায় পচ্ছন্দ
করে তাদের ধ্বংস অনিবার্য। এসব বিবেচনায় আওয়ামী
লীগ সরকারের এতো উপকারের পরেও যদি কৃষক সমাজ
আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাদের
ভোট না দেন তাহলে সেটা অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হবে
যেটা কোনো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ করতে পারে না।
এব্যাপারে তানোর উপজেলা কুষি কর্মকর্তা শফিকুল
ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ যে কৃষি বান্ধব সরকার এসব
কৃষি বান্ধব কর্মসূচির মধ্যদিয়ে তা প্রমাণ হয়েছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় ১০ বছরে
কুষিখাতে প্রায় এক-চতুর্থাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT