১৮ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং | ৩রা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

টেন্ডুলকারের উৎসাহে কাম্বলির নতুন জীবন

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ৩, ২০১৮, ৭:২০ অপরাহ্ণ


একটা সময় শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গেই উচ্চারিত হয়েছে বিনোদ কাম্বলির নাম। খুব ছোটবেলায় এক স্কুল ম্যাচে বন্ধুর সঙ্গে ৬৬৪ রানের জুটি গড়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টেন্ডুলকার বিস্ময়বালক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। কাম্বলিও নিজের আগমনবার্তা শুনিয়েছিলেন নিজের প্রথম সাত টেস্টের দুটিতেই ডাবল সেঞ্চুরি করে। কিন্তু সময়ের আবর্তে টেন্ডুলকার নিজেকে তুলে নিয়েছেন পর্বতের চূড়ায়, আর কাম্বলি হারিয়ে গেছেন দৃশ্যপট থেকে।

বন্ধু যেখানে ২৪ বছর বিশ্ব ক্রিকেটে রাজত্ব করেছেন। জীবন্ত কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছেন। আর কাম্বলির ক্যারিয়ার শেষ হয়েছ ১৭ টেস্ট আর ১০৪ ওয়ানডে খেলেই। শৃঙ্খলা তাঁর জীবনে একটা বড় সমস্যাই ছিল। ক্রিকেট ছেড়ে এত দিন খেলাটার অনেক দূরে সরে গেলও টেন্ডুলকারের হাত ধরেই কাম্বলি আবারও ফিরছেন ক্রিকেটে।

ব্যাট-প্যাড পড়ে ক্রিজে নামার বয়স আর নেই। তবে কাম্বলিকে টেন্ডুলকার ফেরাচ্ছেন কোচিংয়ে। বিখ্যাত কোচ রামাকান্ত আচরেকারের শিষ্য দুজনেই। প্রিয় ‘স্যার’ তাঁদের যা শিখিয়েছেন, টেন্ডুলকার তো সেটি মাঠেই প্রয়োগ করেছেন। কাম্বলি না হয় সেটি বিলিয়ে দিন তরুণ প্রজন্মের মধ্য!
কাম্বলি ভীষণ কৃতজ্ঞ টেন্ডুলকারের প্রতি। অথচ বছর কয়েক আগেই দুজনের ব্যক্তিগত সম্পর্কে কিছুটা চিড় ধরেছিল। কাম্বলির উদ্দাম-উন্মাতাল জীবনাচার থেকে নিজেকে কিছুটা গুটিয়ে নিয়েছিলেন টেন্ডুলকার। তবে সম্পর্কটা এখন অনেক ভালো। কাম্বলি জানিয়েছেন, ‘টেন্ডুলকারই আমাকে কোচিংয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছে। শচীন খুব ভালো করেই জানে আমি ক্রিকেট কতটা ভালোবাসি। সে আমাকে বলল, “তুমি ক্রিকেট কোচিংয়ে কেন আসছ না?” সুতরাং আমি বলতেই পারি, আমি এই মুহূর্তে এমন একটা পথে পা রেখেছি, যেটি টেন্ডুলকারই আমাকে দেখিয়েছে।’

কোচিংয়ে নেমেই পড়েছেন কাম্বলি। মুম্বাই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সে একটি ক্রিকেট একাডেমির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজের নতুন ভূমিকায় রীতিমতো উচ্ছ্বসিত কাম্বলি, ‘আমরা আচরেকার স্যারের কাছ থেকে যা-ই শিখি না কেন, সেটি নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তরুণেরা যদি এ থেকে সুবিধা নিতে পারে, তাহলেই সেটি সার্থক হবে।’

ক্রিকেট কোচিং নিয়ে নিজের দর্শনের কথাও জানিয়েছেন কাম্বলি, ‘আমি আচরেকার স্যারের একটা কথা মনে রেখেছি। তিনি সব সময়ই বলেন, ভালো ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পেছনে কোচের ভূমিকা ৩০ শতাংশ। আর খেলোয়াড়ের নিজের কাজ করতে হবে ৭০ শতাংশ। এই ৭০ শতাংশ পরিশ্রম, নিষ্ঠা, অধ্যবসায়। স্যার বলতেন, সঠিক অনুশীলন একজন ক্রিকেটারকে ঠিকমতো গড়ে তোলে। সে কারণেই আমি, শচীনসহ স্যারের অন্য ছাত্ররা সব সময় অনুশীলনে মনোযোগী ছিলাম।’

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT