২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

চট্টগ্রামের বাজার : কমছে মাছের দাম, বেড়েছে আদার ঝাঁজ

প্রকাশিতঃ আগস্ট ১০, ২০১৮, ১২:১৬ অপরাহ্ণ


তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে বাজারে আসতে শুরু করেছে রাঙামাটির কাপ্তাই লেকের মাছ। এ ছাড়া বৈরি আবহাওয়া কাটিয়ে সাগরেও শুরু হয়েছে মাছ শিকার। এ দুই কারণে চট্টগ্রামের বাজারে মাছের সরবরাহ যেমন বেড়েছে, তেমনি কমছে মাছের দাম। তবে আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ধীরে ধীরে চড়া হচ্ছে আদা, পেঁয়াজ-রসুনসহ মসলার বাজার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরের ষোলশহর কর্ণফুলি কাঁচাবাজার ঘুড়ে দেখা গেছে, এক কেজির বেশি ওজনের প্রতিকেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৩শ থেকে ১৪শ টাকায়। মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮শ থেকে ১ হাজার টাকায়।

বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে প্রতিকেজি বড় আকারের ইলিশ বিক্রি হয়েছিল ১৮শ টাকায় এবং মাঝারি আকারের ইলিশ ১৫শ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। সে হিসেবে প্রতিকেজি ইলিশে দাম কমেছে তিনশ টাকার কাছাকাছি।

এ ছাড়া রূপচাঁদা প্রতিকেজি ৮শ থেকে সাড়ে ৮শ টাকা, লাল কোরাল সাড়ে ৫শ টাকা, মাঝারি চিংড়ি সাড়ে ৪শ, বড় আকারের চিংড়ি ৯শ টাকা, এক কেজি ওজনের আইর মাছ ৫শ টাকা, দুই কেজি ওজনের আইর মাছ সাড়ে ৭শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, তেলাপিয়া (জীবিত) ১৭০ টাকা, মৃত ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি বড় রুই ও কাতলা মাছ প্রতিকেজি ৩৫০ টাকা, মিয়ানমার থেকে আমদানি করা রুই বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়, মাঝারি কাতল ২শ থেকে ২২০ টাকায় মিলছে, বড় সাইজের কাতলা (৫–৮ কেজি ওজন) প্রতিকেজি সাড়ে ৩শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ ব্যবসায়ী হারুন বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদে দীর্ঘদিন মাছ ধরা বন্ধ ছিল। সেখানে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। বৈরী আবহাওয়া কাটিয়ে জেলেরা মাছ আহরণে সাগরে যাচ্ছেন। সাগরের মাছ বাজারে আসতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় মাছের দাম কেজিতে ২০–৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ইলিশের দাম প্রায় দুইশ থেকে তিনশ টাকা পর্যন্ত কমেছে।’

এ ছাড়া ফার্মের মুরগির দাম কেজিতে ৫ টাকা কমে ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত রয়েছে দেশি মুরগির দাম। প্রতিকেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা দরে। গরুর মাংস হাড়ছাড়া ৬শ থেকে ৬৩০ টাকা, হাড়সহ ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আজ শুক্রবার সবজির সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার রিয়াজউদ্দিন বাজারে খবর নিয়ে জানা গেছে, বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৫০ টাকা, গত সপ্তাহে যা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। কাকরোল ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পেঁপে, আলু ও কচুর ছড়া ২৫–৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচা মরিচের দাম আরও বেড়ে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাড়তে শুরু করেছে ভোগ্যপণ্যের বাজার দর। চাক্তাই–খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে তিন দিনের ব্যবধানে আদার দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ১৭ টাকা। গত সপ্তাহে প্রতিকেজি ৮৩–৮৭ টাকায় বিক্রি হওয়া আদা আজ ১০২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম ২৯–৩০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকায়। রসুনের দাম ৪৮ টাকা থেকে বেড়ে কেজিতে ৫২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভোজ্যতেলের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। খুচরা বাজারে পাম কেজিতে ৭০ টাকা, সুপার পাম ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা ও উন্নতমানের সয়াবিন তেল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT