২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

‘গ্রিন সনদ পাওয়া বিশ্বের সেরা কারখানাটিও বাংলাদেশের’

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮, ১২:০৭ অপরাহ্ণ


টেকসই শিল্পায়নের জন্য সবুজবান্ধব কারখানা ও কর্মপরিবেশের বিকল্প নেই মনে করেন এ খাতসংশ্লিষ্টরা। তবে সবুজ কারখানার জন্য বড় বাধা সবুজ অর্থায়ন। বড় কারখানাগুলো অর্থায়নের জন্য খুব একটা সংকটে না পড়লেও ছোট ছোট কারখানাগুলোকে অনেক প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়। তবে এসব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এমনকি গ্রিন সনদ পাওয়া বিশ্বের সেরা কারখানাটিও বাংলাদেশের।

গতকাল রবিবার ‘অ্যা ডায়ালগ অন গ্রিন কমপ্লায়েন্স’ শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর মতিঝিলে ব্যবসায়ীদের সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাডাম স্মিথ ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে এ আলোচনাসভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডির) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বিদেশি ক্রেতাদের চাপে শিল্পে এখন কমপ্লায়েন্স বাধ্যতামূলক। ফলে পরিবেশবান্ধব কারখানাও বাড়ছে। এমনকি গ্রিন সনদ পাওয়া বিশ্বের সেরা কারখানাটিও বাংলাদেশের।

তিনি বলেন, ক্রেতারা এখন বলে দেয় কারখানার কর্মপরিবেশ ও পরিবেশবান্ধব না হলে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি করা হবে না। অথচ উদ্যোক্তাদের পরিবেশবান্ধব কারখানা করতে অনেক রকমের প্রতিকূলতা মোকাবেলা করতে হয়। বিশেষ করে গ্রিন কারখানার জন্য অর্থ পেতে তাদের অনেক কাঠখড় পোহাতে হয়। তিনি মনে করেন গ্রিন ফিন্যান্স সহজীকরণে আরো জোর দিতে হবে।

দেশের পোশাক খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ভিয়েলাটেক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম রেজাউল হাসনাত বলেন, বিশ্বের বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের সবুজবান্ধব আর টেকসই হওয়ার কথা বললেও এখন আমাদের সময় হয়েছে তাদের পরামর্শ দেওয়ার। তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালক মিরান আলী বলেন, বাংলাদেশ সবুজবান্ধব কারখানা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিশ্বের সেরা রপ্তানিকারক দেশ চীন থেকেও আমরা ভালো করছি। কোনো কোনো কারখানা ইটিপিতে পানির দূষণ শূন্য মাত্রায় নামিয়ে এনেছে।

যুক্তরাজ্যের ক্রেতা প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্ড স্পেনসারের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্বপ্না ভৌমিক বলেন, সবুজ কারখানা ও কর্মপরিবেশের দিক থেকেও বাংলাদেশ সফলতার দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। তিনি বলেন, এ দেশে প্রচুর সবুজ কারখানা হয়েছে। এখনো হচ্ছে। তবে এখনো যে জায়গাটিতে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ছে তা হলো লিড টাইম (পণ্য জাহাজীকরণ সময়)। দ্রুত পরিবর্তনশীল ফ্যাশনের এ সময় এখানে আরো জোর দেওয়ার সময় এসেছে বলে তিনি মনে করেন। এ ছাড়া তিনি জানান, সারা বিশ্বে এমঅ্যান্ডএসের ১৪ শর বেশি বিক্রয়কেন্দ্র আছে। এসব বিক্রয়কেন্দ্রের প্রায় ৪০ শতাংশ পণ্য বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এমসিসিআইয়ের সহসভাপতি গোলাম মাঈনুদ্দিনের সভাপতিত্বে ও অ্যাডাম স্মিথের কান্ট্রি ডিরেক্টর শুভজিত চট্টোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ডিএফআইডির বেসরকারি উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা আফসানা ইসলাম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (ইসিসি) সৈয়দ নাজমুল আহসান প্রমুখ।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT