২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

গ্রামবাসীর বাধায় সড়ক সংস্কার বন্ধ

প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮, ২:০৬ অপরাহ্ণ


নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কারকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। গত বৃহস্পতিবার রাত নয়টায় সড়কের লক্ষ্মীপুর অংশের রায়পুরে এ ঘটনা ঘটেছে।

লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্ত করার কাজ চলছে। এর মধ্যে ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কের লক্ষ্মীপুর জেলার ৪০ কিলোমিটার অংশের সংস্কারও গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়েছে। সংস্কারকাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্স, হাসান বিল্ডার্স ও মেসার্স সালেহ আহমেদ। সংস্কার প্রকল্প অনুযায়ী ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কটিকে ২৪ ফুটে উন্নীত করা হবে। এ ছাড়া সড়কের দুই পাশে ৫ ফুট করে ১০ ফুট স্থানে মাটি ফেলা হবে।

রায়পুরের সোনাপুর ইউনিয়নের রাখালিয়া গ্রামটি সংস্কারকাজ চলতে থাকা এই সড়কের পাশেই অবস্থিত। এই গ্রামের ২০ থেকে ৩০ জন লোক গত বৃহস্পতিবার রাতে সড়কের কাজ বন্ধ করে দেন। তাঁদের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে। পাশাপাশি সংস্কারকাজ করার সময় পানিও ব্যবহার করছেন না ঠিকাদারের লোকজন। এতে ধুলাবালুর অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলেন তাঁরা।

সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইউছুফ জালাল কিসমত বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে ঠিকাদার খুব বাজেভাবে কাজ করছেন। ৩০ বছর আগের নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। সড়কে গর্ত করে পাঁচ-ছয় দিন পর্যন্ত রেখে দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রায় গর্তে গাড়ি পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ইউপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, সড়কে সারা দিন পানি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদার পানি ব্যবহার না করার কারণে ধুলাবালুতে লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

সোনাপুর গ্রামের আলী আহামেদ বলেন, জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা না করে ঠিকাদার নিজের ইচ্ছেমতো কাজ করছেন। ওই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ নাজেহাল হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সদস্য মামুন বিন জাকারিয়া বলেন, ‘বালু ও খোয়ার সঙ্গে কিছু মাটি ব্যবহার করছেন ঠিকাদারের লোকজন। আমিও ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ক্ষুব্ধ লোকজনকে শান্ত করি।’

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালেহ আহমেদের পরিচালক আজিজুল করিম বলেন, নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে না। নিয়ম অনুয়ায়ী কাজ করা হচ্ছে। আর ধুলাবালু কমানোর জন্য সড়কে পানি দেওয়া হবে। এ জন্য ট্যাংকার আনা হচ্ছে।

সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটিতে যেনতেনভাবে কাজ করার সুযোগ নেই। কী ঘটেছে সে বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT