১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

গুলশানে ছাত্রলীগ নেতার ময়লা নিষ্কাশনের কাজে বাধা, মামলায় গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশিতঃ জুলাই ২৪, ২০১৮, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ


রাজধানীর গুলশান এলাকায় ময়লা-বাণিজ্য নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গুলশান থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি কাজী মাছুম গত মঙ্গলবার মামলা করলে গুলশান থানা-পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

হামলায় জড়িত সন্দেহে কামাল উদ্দিন (৩০) নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। আসামি কামালকে তিন দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলেও আদালত তাতে সাড়া দেননি। এ মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও তিনজন সন্দেহভাজন হামলাকারীকে। এঁরা হলেন রিগান (২৫), লিমন (১৮) ও নাজমুল হাসান (১৯)।

মামলার বাদী গুলশান থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি কাজী মাছুম। তিনি গুলশানের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম সেমিস্টারে পড়ছেন। কাজী মাছুম বলছেন, পুলিশ মামলার প্রধান আসামি পিয়ার আলীকে (৩৬) গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পিয়ার আলী নিজেকে যুবলীগের নেতা বলে পরিচয় দেন। তাঁর কোনো পদ নেই।

হামলার কারণ সম্পর্কে ছাত্রলীগ নেতা কাজী মাছুম তাঁর মামলায় বলেছেন, ‘আমি গুলশান থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি থাকা অবস্থায় গুলশানের ১২৭-১৩২ নম্বর রোডের ময়লা নিষ্কাশনের কাজ করে আসছি। বিবাদী পিয়ার আলী অবৈধভাবে ময়লা নিষ্কাশনের কাজ নিজ দখলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।’

ছাত্রলীগ নেতা কাজী মাছুম বলেন, কয়েক মাস ধরে গুলশান এলাকায় তাঁর লোকজন বাসা-বাড়ির ময়লা নিষ্কাশনের কাজ করে আসছে। কীভাবে হামলা চালানো হয়েছে, সে ব্যাপারে ছাত্রলীগ নেতা মাছুম মামলায় বলেন, ১৮ জুলাই দুপুরে গুলশানের ১৩২ নম্বর রোডের পূর্ব মাথায় মামুনের চায়ের দোকানে তাঁর দলের ছোট ভাই রুবেল বসেছিলেন। তখন পিয়ার আলী নেতৃত্বে আনোয়ার হোসেন, রিগ্যান, শ্যামল, হারিকুল, সাফায়েতসহ কয়েকজন দুষ্কৃতকারী হামলা করেন।

এজাহারে বলা হয়, ছাত্রলীগের নেতা মেহেদী ও রুবেলকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়। আনোয়ার তাঁর কোমরে থাকা পিস্তল দিয়ে মেহেদীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আর রিগান তাঁর হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে রুবেলের মাথায় কোপ মারেন। আর পিয়ার আলী কাওসারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন।

আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দিয়ে বলেছে, কামাল, লিমন, নাজমুল ও রিগান রুবেলকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন। চাপাতি দিয়ে তাঁকে কোপানো হয়েছে। গ্রেপ্তার এসব আসামির জামিন না দিয়ে জেলহাজতে আটক রাখার আবেদন করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নির্মল কুমার আগরওয়ালা বলেন, গুলশান থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতিকে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজনকে কুপিয়ে জখমও করা হয়েছে।

হামলার কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা নির্মল কুমার আগরওয়ালা বলেন, প্রধান আসামি পিয়ার আলীর সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা মাছুমের পূর্ববিরোধের কারণে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, মামলার প্রধান আসামি পিয়ার আলীকে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে।

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT