১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৮ সেমি ওপরে

প্রকাশিতঃ জুলাই ৬, ২০১৮, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ


উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৮ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ধরলা অববাহিকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০০ বাড়িতে পানি উঠেছে। পাশাপাশি জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, গঙ্গাধর, দুধকুমারসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ধরলা ও দুধকুমারের অববাহিকার প্রায় ৪০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় ধরলা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২৮ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র ১৫ সেমি, দুধকুমার ১২ সেমি ও তিস্তার পানি ১২ সেমি বেড়েছে।

ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নদীর তীরবর্তী এলাকার প্রায় ১৫টি গ্রামের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ছে। তলিয়ে গেছে পটোল, ঢ্যাঁড়স, মরিচ, শসাসহ বিভিন্ন সবজির খেত। কাঁচা সড়কে যাতায়াতব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে বাঁধগুলো।

ফুলবাড়ীর বড়ভিটা চর মেকলির বাসিন্দা রহুল আমিন বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে এলাকার চর মেকলি, প্রাণকৃষ্ণ, আরডিআরএস বাজার, পশ্চিম ও পূর্ব ধনীরাম গ্রাম গুলোতে পানি উঠেছে।

সদর উপজেলার ভোগাডঙ্গা ইউনিয়নের নানকার চর, সাত ভিটা ও চর বড়াইবারী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ধরলা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় হুহু করে গ্রামে পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে। এখানে শতাধিক বাড়িতে পানি উঠছে।

নানকার চরের আবদুল গনি বলেন, পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙনে এলাকার দোতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীতে দেবে গেছে।

পাঁচগাছি ও মোগলবাসা ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বাড়িগুলোতে পানি উঠতে শুরু করেছে।

নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর, নুনখাওয়ার ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ছে।

রাজারহাট উপজেলার কালুয়ারচর এলাকায় মেরামত করা বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলাকাবাসী বালুর বস্তা ফেলে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। রাতে বাঁধ রক্ষার কাজ তদারকিতে ছিলেন। এই বাঁধটি ভেঙে গত বছরের বন্যায় কুড়িগ্রাম-রংপুর সড়কসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।’

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন জানান, বন্যা মোকাবিলার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT