২১শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

কুতিনহোকে নিয়ে আসলেই কী হচ্ছে?

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ২, ২০১৮, ৬:২২ অপরাহ্ণ


বার্নলির বিপক্ষে ম্যাচে লিভারপুল স্কোয়াডে ফিলিপ কুতিনহোকে না দেখে চমকে গিয়েছিলেন অনেকে। ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারটি কি তাহলে সত্যিই ঠিকানা পাল্টাচ্ছেন! লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ এ ব্যাপারে খোলাসা করে কিছুই বলেননি। ‘সে (কুতিনহো) এবং মোহাম্মদ (সালাহ) চোট পেয়েছে। সে রকম কিছু নয়, তবে এ ম্যাচের জন্য যথেষ্ট। এভারটনের বিপক্ষেও তাঁদের (খেলা) নিয়ে সন্দেহ আছে’—ম্যাচ শেষে শুধু এতটুকু বলেই রহস্য ধরে রাখেন ক্লপ।

কিন্তু সেই রহস্য এখন ‘ওপেন সিক্রেট’। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া শীতকালীন দলবদলের বাজারেই কুতিনহোকে কিনে নিতে পারে বার্সেলোনা। সংবাদমাধ্যম এর আগে জানিয়েছিল, কুতিনহোর সম্ভাব্য ট্রান্সফার ফি হতে পারে ১৫ কোটি ইউরো। নতুন খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ। প্রতিবেদনে তারা জানিয়েছে, ‘এই দলবদলেই বার্সেলোনা তাঁকে সই করানোর ব্যাপারে যেভাবে মরিয়া চেষ্টা করছে, তা অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে।’ বিশেষ করে, নাইকির বিজ্ঞাপনে কুতিনহোর গায়ে বার্সার জার্সি থাকায় ‘লিভারপুল এখন তাঁর জন্য অবিশ্বাস্য অঙ্কের ফি চাইবে’।

সেই ‘অবিশ্বাস্য অঙ্ক’-টা কত হতে পারে? লিভারপুলের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি। কিন্তু এটা মোটামুটি ধরে নেওয়া যায়, কুতিনহোর সম্ভাব্য দামটা আর ১৫ কোটি ইউরো থাকছে না। বার্সা এ জন্য ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকিকে দুষতেই পারে। কুতিনহোকে কিনতে এ পর্যন্ত তিন দফা চেষ্টা করেছে কাতালান ক্লাবটি। কিন্তু লিভারপুল রাজি হয়নি। অথচ বিজ্ঞাপনে কুতিনহোর গায়ে বার্সার জার্সি চাপিয়ে নাইকি প্রচার করেছে, ‘ফিলিপ কুতিনহো ন্যু ক্যাম্পকে আলোকিত করতে প্রস্তুত’।

টেলিগ্রাফের ভাষ্য, বিজ্ঞাপনটি পরে সরিয়ে নেওয়া হলেও ‘সেখানে যে দাম্ভিকতা প্রকাশ পেয়েছে, তাতে লিভারপুল খেপেছে’। সে জন্যই দলটি এখন কুতিনহোর জন্য আরও বেশি দর হাঁকবে। তবে লিভারপুল যে কুতিনহোকে বিক্রি করবে, তার ইঙ্গিতও মিলেছে। লেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচের আগে দলের অধিনায়ক নিয়ে কথা বলেছিলেন ক্লপ। এমনিতে লিভারপুলের নিয়মিত অধিনায়ক জর্ডান হেনডারসন। তিনি চোট পাওয়ায় বিকল্প অধিনায়ক খুঁজছেন লিভারপুল কোচ। লিভারপুলের বর্তমান স্কোয়াডে কুতিনহোই সবচেয়ে অভিজ্ঞ। কিন্তু ক্লপ তাঁর কাঁধে নেতৃত্বের দায়ভার চাপাতে চান না।

ক্লপের যুক্তি, ‘এটুকু বলতে পারি যে তাকে অধিনায়ক বানালে হয়তো ক্লাব ছেড়ে যাবে না কিংবা খুব খুশি হবে; কিন্তু ব্যাপারগুলো এভাবে কাজ করে না। নেতৃত্ব তাকে সামনে ঠেলে দিতে পারে আবার চাপেও ফেলতে পারে।’ সেই চাপটা কী? বার্সায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে লিভারপুলের অধিনায়ক হওয়া—কুতিনহোর জন্য ব্যাপারটা তো একরকম চাপই!

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT