১৭ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শীতকাল

কী দেখছি সামাজিক মাধ্যমে?

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ


ডেস্ক নিউজ :প্রশ্নটা বেশ সহজ, ফেসবুকে ভুয়া খবরের দায় আসলে কার? সংবাদপত্র বা বইপত্র, যেখানেই লিখুন, সম্পাদনা হবেই। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপারটা সে রকম না। লোগান পলের কথাই ধরুন, ২০১৭ সালের শেষের দিকে এই ইউটিউবার জাপানের আওকিগোহারা জঙ্গলে এক আত্মঘাতী ব্যক্তিকে পুরোটা ভিডিও করেন।

এখন সাংবাদিক মাত্রই জানেন, এমন কিছু প্রকাশ করা উচিত নয়। কিংবা সেটা যদি সম্পাদকদের কাছেও যায়, তাঁরা সাংবাদিকতার প্রতি এবং ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এমন কোনো কিছু প্রকাশ করবেন না। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমন নয়।

দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট বলছে, সামাজিক মাধ্যমের প্রথম দিকে বিষয়টি এ রকম ছিল না। মাইস্পেস বা এ রকম সামাজিক মাধ্যমের উদ্দেশ্য ছিল ইন্টারনেটের লোকদের কথা বলার পরিসর দেওয়া, নিজের মতো করে বলার সুযোগ করে দেওয়া। বিষয়টি একদম আইন করেই দেওয়া।

তবে এই ব্যাপারে ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ানের মতামত একটু আলাদা। তাদের ধারণা, সামাজিক মাধ্যমের আঁতুড়ঘর যুগে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া যায়। তবে সেটা একেবারে আইন করে নয়। একটি বিষয় লক্ষণীয়, এই সামাজিক মাধ্যম কোম্পানিগুলোর সবার শিকড় কিন্তু আমেরিকায়। যেখানে সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বলে খোদ রাষ্ট্রপ্রধানকে গালাগাল দিয়ে পার পেয়ে যাওয়া যায়।

তাই সংবিধান আর ১৯৯৬ সালের আমেরিকান কমিউনিকেশন ডিসেন্সি অ্যাক্ট সামাজিক মাধ্যমগুলোকে বড় হতে দিয়েছে। তখন তাদের বাতায়নে পাওয়া তথ্যে তেমন দেখভাল করার প্রয়োজন মনে করেনি সরকার। তখন সামাজিক মাধ্যমের যাত্রা মাত্রই শুরু হচ্ছে, ও রকম কড়া নজরদারিতে রাখলে পরে তাদের বেড়ে ওঠা হতো না। আমেরিকান পত্রিকা দ্য ইকোনমিস্টের মতও সে রকমই।

টুইটার কিংবা ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলো তাদের কোম্পানিকে যোগাযোগের উসকানিদাতা হিসেবে ভাবতে পছন্দ করে। তারা ভাবে, তারা মতপ্রকাশের জায়গা করে দিচ্ছে, যোগাযোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে নতুন কিছু সৃষ্টি করছে না। আইনপ্রণেতাদের যুক্তি ছিল, আঁতুড়ঘরে থাকা এই ইন্ডাস্ট্রি খরুচে মামলা-হামলা সামলাতে পারবে না। যত যা-ই হোক, আমেরিকানরা বাণিজ্য বোঝেন বেশ।

তবে ২০১৮ সালের প্রায় শেষে এসে এই যুক্তি আর খাটে না। ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন বলছে, আমেরিকার অর্ধেকের কাছাকাছি প্রাপ্তবয়স্ক ভোক্তা খবর পান তাঁদের ফেসবুক পেজ থেকে। ইউটিউবের ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ব্যবহারকারী দৈনিক ২ বিলিয়নের বেশি ভিডিও স্ট্রিম করেন। এসব ভিডিও স্ট্রিমে সংবাদও থাকে। পৃথিবীর সব কটি চালু পত্রিকার টুইটার পেজ আছে। সব মিলিয়ে গুগল, ফেসবুক, টুইটার আর ছোট কোনো কোম্পানি না। এ শতাব্দীর সবচেয়ে সফল ব্যবসাগুলোর মধ্যে আছে তারা।

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT