১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল

কালীগঞ্জহাটে টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি

প্রকাশিতঃ আগস্ট ৩০, ২০১৮, ৩:০৯ অপরাহ্ণ


আলিফ হুসেন (তানোর প্রতিনিধি) – রাজশাহীর তানোর পৌরসভার কালীগঞ্জহাটে ইজারদারগণ নীতিমালা লঙ্ঘন করে টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের বে-পরোয়া চাঁদাবাজিতে ক্রেতা-বিক্রেতারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বিরাজ করছে উত্তেজনা। চলতি বছরের ২৮ আগস্ট মঙ্গলবার স্থানীয় ব্যবসায়ীরা স্থানীয় সাংসদ ও রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এদিকে হাট-বাজার ইজারার আদায়কৃত রাজস্ব থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ টাকা হাট-বাজারের উন্নয়নে ব্যয় করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না। পৌরবাসী টোল আদায়ের মূল্য তালিকার সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে ও রশিদের মাধ্যমে টোল আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ এবং হাট বারে র‌্যাবের টহল কামনা করেছেন।
জানা গেছে, তানোর পৌরসভার কালীগঞ্জহাটে টোল আদায়ের মূল্যে তালিকার সাইনবোর্ড না টাঙ্গিয়ে ও রশিদ ছাড়াই ইজারদারগণ টোল আদায়ের নামে ক্রেতা-বিক্রেতাদের জিম্মি করে উভয়ের কাছে থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় করছে। এদিকে ইজারদারের চাহিদামত টোল দিতে অসম্মতি বা প্রতিবাদ করলেই তাদের ওপর নেমে আসছে নির্যাতনের খড়গো। ফলে টোল আদায় নিয়ে যেকোনো সময় বড় ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত মঙ্গলবার সরেজমিন, কালীগঞ্জহাটে দেখা গেছে, ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে রশিদ ছাড়াই জোরপূর্বক অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে। আর অতিরিক্ত টোল আদায়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রায় প্রতিনিয়ত ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে ইজারদার ও তাদের লোকদের বাকবিতন্ডতা এমনকি হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ হাট ইজারদার স্থানীয় কিছু টাউট-বাটপার ও বখাটাদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী। ইজারদারের চাহিদামতো টোল দিতে অস্বীকার বা প্রতিবাদ করতে গেলে ওই সব বখাটেদের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। কাশীমালা এলকার সবজি বিক্রেতা আব্দুল গফুর (৪৫) অভিযোগ করে বলেন, ইজারদারের চাহিদামত টাকা দিতে অস্বীকার করলে ঘরে আটকে শারীরিক নির্যাতন ও মালামাল কেড়ে নেয়ার মত ঘটনাও ঘটে। এব্যাপারে জানতে চাইলে হাট ইজারদার ইজাজুল ইসলাম তোতা বলেন, মারপিটের অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি বলেন, সারাদেশে যেভাবে টোল আদায় করা হয় তারাও সেভাবে টোল আদায় করেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

এই বিভাগের আরো খবর

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০, সার্কুলেশন বিভাগঃ০১৯১৬০৯৯০২০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT