২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

ওসির বিরুদ্ধে ঘুষের মামলা

প্রকাশিতঃ জুলাই ২৫, ২০১৮, ৮:০৪ অপরাহ্ণ


ঘুষ আদায় ও মাদক ব্যবসায়ীদের পৃষ্টপোষকতার অভিযোগে মাগুরার শালিখা থানার ওসি রবিউল হোসেনের বিরুদ্ধে জেলা আদালাতে মামলা করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলাটি দায়ের করেন শালিখা উপজেলার শাবলাট গ্রামের মহব্বত হোসেন। আদালত মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন।

বাদীর আইনজীবি শেখ গোলাম নবী শাহিন জানান, এ বছরের ৩১ মার্চ শালিখা উপজেলার শাবলাট গ্রামের কামরুল মোল্যার বাড়িতে টেকনাফের জামাল হোসেনসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে অবস্থান করছে বলে তার বাদী মহব্বত হোসেন জানতে পারেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মহব্বত হোসেন বিষয়টি শালিখা থানাকে অবিহিত করেন। শালিখা থানা পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আসামিদের আটক করেন। পরে ওসি রবিউল হোসেন আসামিদের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে ২০ হাজার পিসের পরিবর্তে ২২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করেন। পাশাপাশি বাকি ইয়াবা ওসি নিজের হেফাজতে রেখে দেন। ইয়াবার সন্ধানদাতা মহব্বত হোসেন ইয়াবা জব্দে কারচুপির বিষয়ে ওসি রবিউলের কাছে জানতে চাইলে ওসি রাগাম্বিত হয়ে মহব্বতকে ওই মামলায় আসামি করেন। এছাড়া পরবর্তীতে ওসি রবিউল হোসেন মহব্বত হোসেনকে চুড়ান্ত চার্জশীট থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য ৫০ হজার টাকা উৎকোচ দাবি করেন।

তিনি আরো জানান, মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে মহববত হোসেন গত ১৪ মে ওসি রবিউল হোসেনের বাসার সামনে উপস্থিত হয়ে ৫০ হাজার টাকা উৎওকাচ দেন। কিন্তু উৎকোচ নেওয়া স্বত্তেও ওসি রবিউল হোসেন চার্জশীটে মহব্বতকে আসামিভুক্ত করেন। যে কারণে মহব্বত ওসির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৬১ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে শালিখা থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, ‘মহব্বত একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় একাধিক মামলা আছে। এসব মামলা থেকে বাঁচতেই মহব্বত এ ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। আমি তার কাছ থেকে কোন উৎকোচ গ্রহণ করিনি। মামলায় বর্ণিত সব অভিযোগই মিথ্যা। ৩১ মার্চ শাবলাট গ্রাম থেকে যে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়। সে অভিযানে আমি অংশ নেইনি। শালিখা থানার দুইজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওই অভিযানের নেতৃত্ব দেন। তাদের অভিযানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে ওই ইয়াবা সংক্রান্ত মামলাটি হয়েছে। এখানে আমার দ্বারা কোনও কারচুপির ঘটনা ঘটেনি।’

Leave a Reply

৯৭/৩/খ, উত্তর বিশিল, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৭১২-৬৪৩৬৭৩, বার্তা বিভাগঃ ০১৭১২-৬৪৪৩৫০
ইমেইলঃ [email protected], [email protected]

সম্পাদক:
মোঃ সুলতান চিশতী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ
মহসিন হাসান খান (বুলবুল)

নির্বাহী সম্পাদকঃ
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

সহকারী সম্পাদকঃ
মোঃ আতোয়ার হোসেন

আইন উপদেষ্টাঃ
শাহিন সরকার


.: Developed By :.
Great IT